নিজস্ব প্রতিনিধি: এ বছর দুর্গাপুজোর অষ্টমী-নবমী একই দিনে পড়ায় ১২ তারিখেই দশমী পালন করছে অনেকেই। বিশেষ করে, বনেদি বাড়ির উমার নিরঞ্জন শনিবারেই হবে। দুর্গাপুজো মুলত চারদিনের উৎসব হলেও ৫-৬ দিন জুড়ে এই উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠেন বাঙালিরা। দুর্গাপুজো মুলত কলকাতায় বিখ্যাত হলেও গোটা দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে এই উৎসব পালন করা হয়। কারণ পুজোর সময় অনেকেই বাড়িতে ফিরতে পারেন না। আবার কর্মসূত্রে যেখানেই থাকেন, সেখানেই স্থায়ী ঠিকানা বানিয়ে নেন অনেকেই। তাই সারা দেশের বাঙালি অ্যাসোসিয়েশনগুলিতে দুর্গা পুজোর আয়োজিত হয়। এই পাঁচটা দিনের জন্যে সারা বছর অপেক্ষা করে থাকেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। কারণ সনাতন ধর্মের মহোৎসব দুর্গাপুজো। যাই হোক, প্রতিবছরেই কলকাতার পাশাপাশি মুম্বইতেও দুর্গা পুজোর দিকে নজর থাকে সবার।
কারণ বলিউডের অনেক তারকাই বাঙালি। রানি মুখোপাধ্যায়, তনুজা কন্যা কাজল-তানিশাদের বাড়ির পুজো, অয়ন মুখোপাধ্যায়, বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়, অভিজিৎ, অয়ন মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির, উত্তর বোম্বে সার্বজনীন পুজো এগুলো বিখ্যাত। যাই হোক, পুজোর কটা দিন উত্তর বোম্বের সার্বজনীন পুজোতেই থাকেন রানি-কাজলরা। তাঁরাও পুজোর আয়োজনে সহযোগিতা করেন। আর সেই ছবি-ভিডিও ইনস্টাগ্রাম জুড়ে ভাইরাল হয়। কাজল-রানি পুজোর রীতিমতো তদারকি করেন, পুজোর ভোগ পরিবেশন করেন। ঢাকি বাজান। আজ দশমীতে পরিবারের সঙ্গে সিঁদুর খেললেন অভিনেত্রী রানি মুখোপাধ্যায়। আরপৌড়ে শাড়ির সঙ্গে ম্যাচিং গহনা, মাথাভর্তি সিঁদুর পরে দশেরা উৎসবে মাতলেন রানি। আদতে তিনি বলিউড নায়িকা হলেও বঙ্গ তনয়া। এদিন বাঙালির আচার অনুযায়ী সিঁদুর খেলাও হয়। রানি সিঁদুর খেলাতে মেতে উঠেছিলেন। মাকে বরন করতেও দেখা গেল রানিকে।
একে অপরের সঙ্গে সিঁদুর খেলায় মাতলেন। তারকাদের সঙ্গে খেললেন তিনি। এছাড়াও অভিনেত্রীর আরেকটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যেখানে রানির পা ছুঁতে দেখা গেল বলিউডের আরেক ড্রামা কুইন শার্লিন চোপড়াকে। তবে রানি তাঁকে সেখানেই থামিয়ে দেন। এবং একে অপরের গালে সিঁদুর লাগান। অন্যদিকে একই প্যাণ্ডেলে লাল পার সাদা গরদের শাড়িতে হাজির হন কাজল। তাঁকেও আশ্চর্যজনক দেখাচ্ছিল, কাজলের সঙ্গে তাঁর বোনও ছিল। মা দুর্গার বিদায় অনুষ্ঠান বিজয়া দশমী, দশেরা নামেও পরিচিত। এ কয়দিন রানি-কাজলের পুজোতে রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট, জয়া বচ্চনও অতিথি হিসেবে এসেছিলেন। রানী, অয়ন, কাজল এবং তানিশা মুখোপাধ্যায়সহ মুখোপাধ্যায় পরিবার প্রতি বছর দুর্গা পূজা উৎসবে অংশগ্রহণ করে। এই বছর, কাজল এবং রানী উত্তর বোম্বে সার্বজনীনে দুর্গা পূজা প্যান্ডেলের আয়োজন করে ঐতিহ্য অব্যাহত রেখেছেন।