নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: ভারতের বিরুদ্ধে অঘোষিত যুদ্ধ শুরু করল মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের সরকার। এবার ভারত থেকে ব্যান্ডউইথ আমদানি ৫০ শতাংশ কমানোর জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কমিশনকে (বিআরটিসি) নির্দেশ দিয়েছে। আর ওই নির্দেশের পরে বিআরটিসি নির্দেশ দিয়েছে, আগামী ১ মার্চ থেকে তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলির আমদানি করা ব্যান্ডউইথ ৫০ শতাংশের বেশি কিনতে পারবেন না আইআইজি অপারেটররা।
বাংলাদেশের অন্যতম দৈনিক সংবাদপত্র ‘ইত্তেফাক’ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, তথ্য-বিনোদন থেকে শুরু করে পড়াশোনা কিংবা কেনাকাটা-সহ প্রতিদিন নানা কাজে ৬ হাজার ৮০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ ব্যবহৃত হয়। যা বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল সংস্থা এবং ৬টি তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রয় করেন আইআইজি অপারেটররা। এর পর আইএসপি হয়ে গ্রাহকের কাছে পৌঁছয় ইন্টারনেট সেবা। বর্তমানে দৈনিক চাহিদার মাত্র ৪০ শতাংশ ব্যান্ডউইথ যোগান দিচ্ছে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল সংস্থা। বাকি ৬০ শতাংশ ব্যান্ডউইথ আইটিসি অপারেটরের মাধ্যমে ভারত থেকে আমদানি হয়। সাবমেরিন কেবলের প্রতি এমবিপিএস ব্যান্ডউইথ কিনতে খরচ যেখানে ২২০ টাকা সেখানে ভারতীয় ব্যান্ডউইথে খরচ পড়ে ১০০ টাকা। এই কারণে সাবমেরিন কেবলের ব্যান্ডউইথ কিনতে আগ্রহী নন আইআইজি অপারেটররা। ফলে ভারতের ব্যান্ডউইথের চাহিদা বাড়ছে।
কিন্তু ভারত বিদ্বেষের কারণে মোল্লা ইউনূসের সরকার তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলিকে ভারত থেকে ব্যান্ডউইথ আমদানি কমানোর জন্য তালিবানি ফতোয়া দিয়েছে। ওই ফতোয়া পেয়েই মাথায় হাত আইআইজি আপারেটরদের। তারা স্পষ্ট জানিয়েছে, সাবমেরিন কেবলের কাছ থেকে ব্যান্ডউইথ কিনতে অসুবিধা নেই। তবে দাম কমাতে হবে। যাতে ইন্টারনেট গ্রাহকদের বাড়তি দাম না চোকাতে হয়। আইআইজিবির সভাপতি খানিকটা বিরক্তির সঙ্গে বলেন, ‘৫০ শতাংশ ব্যান্ডউইথ সাবমেরিন থেকে নিতে হবে। ফলে আইআইজি লেভেলে প্রত্যেকের খরচ ১০ থেকে ২০ শতাংশ খরচ বাড়বে।তাই সাবমেরিন কেবলের ব্যান্ডউইথের দাম কমাতে হবে।’