নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের জমানায় ধর্ষকদের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। বিকৃত মানসিকতার সাধারণ অপরাধীদের পাশাপাশি ধর্ষকে পরিণত হয়েছেন উর্দিধারী আইনের রক্ষকরাও। এবার খোদ রাজধানী ঢাকাতেই বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে থানার ব্যারাকেই এক মহিলা কনস্টেবলকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একই থানায় কর্মরত থাকা পুরুষ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। যদিও এই ন্যক্কারজনক ঘটনাকে বড় করে দেখতে নারাজ ঢাকার পুলিশ কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী। তার কথায়, ‘তদন্ত করে দেখা হচ্ছে আদৌ অভিযোগ সত্যি কিনা।’
নির্যাতিতা মহিলা পুলিশ কনস্টেবল জানিয়েছেন, ‘কেরানীগঞ্জ থানায় থাকাকালীনই এক সহকর্মীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শহরের বাইরে বাড়ি থাকায় থানা চত্বরে থাকা ব্যারাকেই থাকতেই দুজনে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই পুরুষ কনস্টেবল দ্বিতীয় তলায় মহিলাদের ব্যারাকে ঢুকে প্রথমে ধর্ষণ করেন। ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করে গত পাঁচ মাস ধরে থানা ব্যারাকেই লাগাতার ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত পুলিশ কর্মী। বিয়ে করতে অস্বীকার করেন। এমনকি বিষয়টি কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলা হবে বলে হুমকিও দেন।’
অপমান ও লজ্জায় প্রথমে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন নির্যাতিতা মহিলা পুলিশ কর্মী। পরে গত ১৯ অগস্ট লিখিতভাবে ধর্ষক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে কেরানীগঞ্জ থানার ওসির কাছে অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগ জানার পরেই শোরগোল পড়ে যায়। অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা না নিয়ে তাকে বাঁচাতে আসরে নামেন ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান। অভিযোগকারিণী পুলিশ কর্মী ও অভিযুক্তকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করেন।