নিজস্ব প্রতিনিধি, হরিণঘাটা : শশুরবাড়িতে গিয়ে হাওড়ার যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতের স্ত্রী আত্মহত্যার কথা বললেও মানতে নারাজ যুবকের পরিবার। হাওড়ার শিয়ালডাঙার বাসিন্দা শুভেন্দু সাহাকে খুন করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। খুনে অভিযোগ তুলে নদিয়ার হরিণঘাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে পরিবার।
কয়েকদিন আগেই মেঘালয়ে হানিমুন মার্ডারের খবর ছিল শিরোনামে। মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে মিলে স্বামীকে খুন করা কথা শোনা গিয়েছে। এই ক্ষেত্রেও তেমন ঘটনাই ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছে হাওড়ার শিয়ালডাঙার বাসিন্দা শুভেন্দু সাহার পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, বিয়ের পর পুরোনো প্রেমিকের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন শুভেন্দুর স্ত্রী উমা।
তাঁদের আরো অভিযোগ, প্রেমিকের সঙ্গে নিজের অন্তরঙ্গতার ছবি স্বামীকে পাঠাতেন উমা। বার বার মানসিক নির্যাতনের অভিযোগও উঠেছে। শুভেন্দু ও উমার ২টি সন্তানও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দুই মাস আগে স্বামীর সঙ্গে অশান্তি করে বাপের বাড়ি চলে গিয়েছিলেন উমা। প্রতি রবিবার সন্তানদের সঙ্গে দেখা করতে শশুরবাড়িতে যেতেন। সেই মতো এই সপ্তাহেও গিয়েছিলেন। পরে শুভেন্দুর শশুরবাড়ি থেকে তাঁর মৃত্যুর খবর জানানো হয়।
পরিবারের দাবি, শুভেন্দুকে খুন করা হয়েছে। তাঁর শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে শুভেন্দুর স্ত্রী ও তার বাপের বাড়ির একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। এই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে নদিয়ার হরিণঘাটা থানার পুলিশ। এই ঘটনায় মৃতের স্ত্রী ও পরিবার সহ শশুরবাড়ির সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই ঘটনার পরেই প্রশ্ন উঠছে মেঘালয়ের ছায়া কি এবার নদিয়ায়?