নিজস্ব প্রতিনিধি: সুপ্রিম নির্দেশ মেনে শনিবার দাগিদের তালিকা প্রকাশ করেছে এসএসসি। সেই তালিকায় প্রথমে ছিল ১৮০৪ জন। ওই রাতেই আরও ২ জনের নাম ওই তালিকায় যুক্ত হয়েছে। এই তালিকা প্রকাশের পরেই টেন্টেটদের একাংশ প্রশ্ন তুলেছে, কীসের ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে এই তালিকা। এসএসসি-র প্রকাশ করা তালিকাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সু্প্রিমকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে টেন্টেডদের একাংশ। সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কুমার ও বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চে তাঁরা আবেদন করেছেন। জানা গিয়েছে, রাজ্য আগেই ক্যাভিয়েট ফাইল করেছে। সোমেই মামলার শুনানি হতে পারে। আদালতে ৫৬ নম্বরে মামলাটি রয়েছে।
দাগিদের একাংশের দাবি, এসএসসি-র পক্ষ থেকে বার বার বলা হয়েছে, তাঁদের কাছে ওএমআর শিট নেই। তাহলে কিসের ভিত্তিতে এই টেন্টেড তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এই তালিকা কি আদৌ গ্রহণযোগ্য। বিষয়টি কতটা গ্রহণযোগ্য সেই নিয়ে আদালতে গিয়েছেন তাঁরা। এসএসসি-র এই টেন্টেড তালিকা কোনওভাবেই মানতে নারাজ চাকরিহারা ‘দাগি’দের একাংশ। এদিন মামলায় কি রায় আসে সেটাই এখন দেখার।
সুপ্রিম নির্দেশ মেনে অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে এসএসসি। সেই তালিকায় নাম রয়েছে ১৮০৬ জনের। আদালতের বেঁধে দেওয়ার সময়ের মধ্যেই ২০১৬ সালের প্যানেলে থাকা অযোগ্য শিক্ষকদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তালিকা প্রকাশের পরেই দেখা গিয়েছে দাগিদের তালিকায় রয়েছেন একাধিক তৃণমূল নেতা ও একাধিক ঘনিষ্ঠ। সেই তালিকায় যেমন নাম রয়েছে রাজপুর সোনারপুরের তিনবারের কাউন্সিলর কুহেলি ঘোষের, তেমনই নাম রয়েছে হুগলির খানাকুলের তৃণমূল নেত্রী শাহিনা সুলতানা সহ আরও অনেকের নাম।