নিজস্ব প্রতিনিধিঃ এক নারীর একাধিক নাম । কখনও সারা, কখনও সাবা, আবার কখনও রঙ্গিলা। ছদ্মনাম ব্যবহার করে একের পর এক প্রতারণার জাল বিছিয়েছিলেন যুবতী আয়েশা সুলতানা ওরফে পাপিয়া খাতুন। তাঁর জালে পা দিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন গবেষক, আইনজীবী থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীরাও। অভিযোগ বিয়ের পর সোনা, গয়না এবং টাকাপয়সা নিয়ে চম্পট দিতেন ওই যুবতী ।
পুলিশ সূত্রে খবর, বীরভূমের লাভপুরের বাসিন্দা আয়েশা সমাজমাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন নাম ব্যবহার করে যুবকদের সঙ্গে আলাপ করতেন। এরপর প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে বিয়ে করতেন। বিয়ের পর টাকা-পয়সা এবং গয়না নিয়ে চম্পট দিতেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার রাতে বীরভূম থেকে ছদ্মবেশধারী আয়েশাকে গ্রেফতার করেছে মুর্শিদাবাদের পুলিশ। অভিযোগ, গত কয়েক মাসে অন্তত সাত জন যুবককে বিয়ে করেছেন যুবতী । কিন্তু ২০ দিন কাটতে না কাটতেই তিন লক্ষ টাকা, ফোন এবং ল্যাপটপ নিয়ে পালিয়ে যান । গ্রেফতারের আগের রাতেও বীরভূমের নলহাটির এক যুবককে বিয়ে করেছিলেন তিনি।
এই প্রসঙ্গে বহরমপুর থানার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আয়েশার হাতে একাধিক যুবক প্রতারিত হয়েছেন। ভিন্ন নাম, পরিচয় এবং চেহারা বদলে বিভিন্ন লোকের সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়তেন তিনি। গ্রেফতারের পর আয়েশার কাছ থেকে ল্যাপটপ এবং বিভিন্ন নথি উদ্ধার হয়েছে। ইতিমধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ।