নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: পহেলগাঁও হামলার পর ভারত-পাকিস্তান কূটনৈতিক সম্পর্কের তো আগেই জলাঞ্জলী হয়েছিল। বিগত এক সপ্তাহ ধরে দুই দেশের মধ্যে চলেছে রণাঙ্গনে যুদ্ধ। যদিও পাকিস্তান বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি। ভারতের দুঃসাহসী সেনা ও উন্নত প্রযুক্তিতে ঘায়েল হয়েছে জিন্নার দেশ।
পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের উপর সন্ত্রাসী হামলার পর থেকে স্বভাবতই দেশবাসীর রক্ত ফুটছে। পাকিস্তানের নামও কেউ সহ্য করতে পারছে না। দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হওয়ার পরেও সব জায়গায় শোনা যাচ্ছে ইন্ডিয়া জিন্দাবাদ আর পাকিস্তান মূর্দাবাদ স্লোগান। এর উল্টোটা বলে রাজ্যে গণপিটুনির শিকারও হয়েছে কেউ কেউ। তেমন ঘটনাই ঘটল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসতের টালিখোলা এলাকায়।
ওই এলাকার এক ব্যক্তি পাকিস্তানের সমর্থনে ফেসবুক পোস্ট করে। সেই ফেসবুক পোস্ট এলাকাবাসীর নজরে আসতেই উত্তাল হয়ে ওঠে এলাকা। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বারাসত থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক, SDPO বারাসাত এবং বারাসত জেলা পুলিশের বিশাল পুলিশ বাহিনী। ঠিক সেই সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-বৃষ্টি এবং বোমাবাজির অভিযোগ ওঠে। স্থানীয়দের বক্তব্য ছিল, ওই ব্যক্তিকে পুলিশের হাতে দেওয়া হবে না। তাকে স্থানীয়রাই শাস্তি দেবেন। এই দাবি করে ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলে স্লোগান দেন সকলে। স্থানীয়দের দাবি এরা ভারতে থাকার যোগ্য নয়, এদের বাংলাদেশে পাঠানো হোক।
ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হন এক পুলিশকর্মী। তড়িঘড়ি তাঁকে বারাসত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। চালানো হয় টিয়ার গ্যাস। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে বারাসত থানার পুলিশ।