Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

আধুনিক অস্ত্র সরঞ্জাম নিয়ে প্রস্তুত হচ্ছে জৈশ, সচেতন না হলেই বিপদ ভারতের

Share:

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের হাতে কার্যত এত ‘মার’ খেয়েও নিজেদের বিন্দুমাত্র শোধরালো না পাকিস্তান। একটি সর্বভারতীয় সূত্রে প্রকাশ যে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই) দায়িত্ব নিয়ে পাক সন্ত্রাসী সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের (জেইএম)প্রযুক্তিগত ও সামরিক ক্ষমতা উন্নীত করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গোয়েন্দা সূত্রের মতে, আইএসআই জইশ-ই-মহম্মদের প্রচলিত অস্ত্রকে আধুনিক, উচ্চ প্রযুক্তির অস্ত্রে রূপান্তরিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এতদিন ধরে অ্যাসল্ট রাইফেল, মর্টার এবং রকেট লঞ্চারের উপর নির্ভরশীল এই গোষ্ঠীটি এখন কোয়াডকপ্টার, ড্রোন এবং ডিজিটাল যুদ্ধ সরঞ্জাম অর্জনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

২০০১ সালে সংসদ হামলা এবং ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হত্যাকাণ্ড সহ ভারতে সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার জন্য জৈশ-ই-মহম্মদ দায়ী। নিরাপত্তা আধিকারিকরা বলছেন যে জৈশের সদস্যদের সরাসরি পাক সেনাবাহিনীর কিছু সদস্য প্রশিক্ষণ দেবে। আইএসআই দায়িত্ব নিয়েছে প্রচার ও তহবিল নিশ্চিত করার। জৈশের মোট তহবিলের প্রায় ৫০ শতাংশ অস্ত্র ক্রয়ের পেছনেই যায়। জৈশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এর আগে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে ক্রমবর্ধমান বন্ধুত্বকে যথেষ্ট বিপজ্জনক বলেই মনে করা হচ্ছে। জৈশ প্রতি বছর ৮০-৯০ কোটি পাকিস্তানি টাকা পায়, যার একটি বড় অংশ আসে উপসাগরীয় দেশগুলির দাতাদের কাছ থেকে।

এই অর্থের বেশিরভাগই এখন ডিজিটাল ওয়ালেট এবং অনলাইন ট্রান্সফারের মাধ্যমে আসছে। এরপর সেই তহবিলকেই অস্ত্র সংগ্রহ, অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ এবং স্লিপার সেলগুলিকে শক্তিশালী করার জন্য ব্যবহার করা হয়। অপারেশন সিঁদুর অভিযানে বাহাওয়ালপুরে জৈশ-ই-মহম্মদের বেশ কিছু ঘাঁটিতে নির্ভুল হামলা চালিয়েছিল ভারত। এর ফলে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদর দফতর। এই অভিযানের পর, জৈশ-ই-মহম্মদ, লস্কর-ই-তৈবা এবং হিজবুল মুজাহিদিনের সঙ্গে অভিযানে ধ্বংস হওয়া সদর দফতর, প্রশিক্ষণ শিবির এবং লঞ্চ প্যাডগুলি পুনর্নির্মাণের করার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছে আইএসআই।

ভারতের অপারেশন সিঁদুর অভিযানের ফলে মারাত্মক বিপর্যয় ঘটেছে পাকিস্তানে। এই অভিযানের ফলে গুঁড়িয়ে গিয়েছে পাকভিত্তিক জৈশ-ই-মহম্মদ, লস্কর-ই-তৈবা সন্ত্রাসী সংগঠনের একাধিক ঘাঁটি। সন্ত্রাস যাদের মেরুদণ্ড, তাদের তো জঙ্গি ঘাঁটি না তৈরি করলে সম্ভব নয়। সেই জন্য পাকিস্তানে ৩০০ টিরও বেশি মসজিদ নির্মাণের আড়ালে জৈশ ও লস্করের পুনর্নির্মাণের জন্য বিশাল তহবিল সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে।
পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই) এর সহায়তায় জৈশ-ই-মহম্মদ তহবিল সংগ্রহের জন্য একটি নতুন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তারা ‘‘EasyPaisa’ এবং ‘Sadapay’-র মতো ডিজিটাল ওয়ালেট ব্যবহার করছে যা তাদের প্রতিষ্ঠাতা এবং মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসী মাসুদ আজহারের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। সীমান্তের ওপার থেকে আসা তথ্য জানিয়ে ভারতীয় গোয়েন্দা আধিকারিকরা বলছেন, মাসুদ আজাহারের পরিবারের সদস্যরা ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (FATF) এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির নজরদারি এড়িয়ে যেতে সক্ষম হচ্ছেন। আধিকারিকরা আরও বলছেন, ৩.৯১ কোটি টাকার তহবিল সংগ্রহ অভিযান কমপক্ষে এক দশক ধরে জৈশ-ই-মহম্মদের অপারেশনাল এবং অস্ত্রের অর্থায়ন নিশ্চিত করবে।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00