Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

১১ লক্ষ বাড়ি গড়ে দেওয়ার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, বন্যায় মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ

বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ডিসেম্বর মাসেই রাজ্য সরকার ১১ লক্ষ মানুষের বাড়ির গড়ার প্রথম কিস্তি টাকা দেওয়া শুরু করে দেবে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বন্যা দুর্গত বীরভূম(Birbhum) জেলায় কোথায় কিরকম ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা খতিয়ে দেখতে এদিন অর্থাৎ মঙ্গলবার বোলপুরের গীতাঞ্জলি প্রেক্ষাগৃহে প্রশাসনিক বৈঠক সারলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। সেই বৈঠক সেরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দুটি বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এক, চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসেই রাজ্য সরকার(West Bengal State Government) ১১ লক্ষ মানুষের বাড়ির গড়ার(Awas Yojna) প্রথম কিস্তি টাকা দেওয়া শুরু করে দেবে। তার জন্য বর্ষা শেষ হলেই শুরু হবে সমীক্ষা(Survey)। বন্যায় যে সব বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বা ভেঙে গিয়েছে, সেই বাড়ি ওই তালিকায় য়াছে কিনা তা খতিয়ে দেখে নেওয়া হবে। না থাকলে সেই পরিবারের নাম ঢুকবে তালিকায়। আর দুই, বন্যায় স্বজন হারানো পরিবারগুলিকে রাজ্য সরকারের তরফে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন, বন্যা বিধ্বস্ত বীরভূমের রাস্তা আর স্কুল সারাইয়ে বিধায়ক-সাংসদদের তহবিল ব্যবহারের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

এদিন মুখ্যমন্ত্রী আবাসের টাকা দেওয়ার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের জানান, ‘১১ লক্ষ বাড়ি তৈরির টাকা ডিসেম্বরে দেওয়া হবে। তিন বছর কেন্দ্র গ্রামীণ আবাসের কোনও টাকা দেয়নি। তাছাড়াও ১ লক্ষ ৭০ হাজার কোটি টাকা আমরা পাই। ১১ লক্ষ বাড়ির মধ্যে, ৬৫ হাজার বাড়ি আমি ইতিমধ্যেই সংখ্যালঘু উন্নয়ন দফতর থেকে করে দিচ্ছি। বন্যায় যে বাড়িগুলো সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত, ভেঙে গিয়েছে, আমার ১১ লক্ষ বাড়ি দেওয়ার তালিকার মধ্যে সেই বাড়িগুলো রয়েছে কিনা, দেখে নিতে বলেছি। সার্ভে বর্ষা শেষে শুরু হবে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই প্রথম কিস্তির টাকা দেব। এখনও ৫০ লক্ষ গ্রামের বাড়ি আছে। এই ১৩ বছরে ৫০ লক্ষ বাড়ি আমরা করতে পেরেছি। এখনও বাংলা গ্রাম ভিত্তিক। শহর কলকাতা কয়েকটা পৌরসভা ছেড়ে দিলে বাকিটা গ্রাম। গ্রামের অনেকে পাকাবাড়ি নিজেরাই করে নিয়েছেন। সরকার থেকে ৫০ লক্ষ করে দিয়েছি। এবার ১১ লক্ষ হাতে নিয়েছি। তাতে ৬০ হাজার যদি বাচে, সংখ্যালঘু দফতরের টাকা, এক-দেড় লক্ষ বাড়ি এর মধ্যে ঢোকাব। যেখান থেকেই পারি, করব। কেন্দ্র ভোটের জন্য যে টাকা খরচ করে, তার ১ শতাংশ যদি রাজ্যকে দিত তাহলে এমন পরিস্থিতি সামলাতে সুবিধা হত। কিন্তু সেই টাকা না পেলেও সাধ্যমতো রাজ্য সরকার আর্থিক সাহায্য করবে।’

আরও পড়ুন, উচ্চ প্রাথমিকে শূন্যপদে নিয়োগের ক্ষেত্রে হাইকোর্টের রায় বহাল সুপ্রিম কোর্টেও

এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘বন্যাতে ২৮ জন মারা গিয়েছেন. তাঁদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। বিনা চিকিৎসায় যে ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। হয়তো অর্থ নগন্য। কিন্তু পাশে দাঁড়ানোর জন্য সরকারের চেষ্টা। মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ থেকে খুন করে বাংলায় পরিযায়ী শ্রমিকদের দেহ পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মালদার এক পরিযায়ী শ্রমিকের শুনেছি, মাথা-দেহ আলাদা করে দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। একশো দিনের কাজের প্রকল্প কেন্দ্র সরকার বন্ধ করে রেখে দিয়েছে। আমরা ৫০ দিনের কাজের কর্মশ্রী চালু করেছি, সেটা যেন চালু থাকে, মিড ডে মিল যেন চালু থাকে। আইসিডিএস সেন্টার রক্ষণাবেক্ষণের কথা বলেছি। কৃষকদের যে জমি নষ্ট হয়েছে, শস্য নষ্ট হয়েছে, কৃষকদের সাহায্য করা হবে। তাঁরা শস্যবিমার টাকা পাবেন। আগে চাষিদের টাকা দিতে হত, এখন আর দিতে হয় না। চাষিরা বিপদে পড়লে আমরা মূল্যায়ন করে, টাকা দিই। কৃষির ওঙ্কার মিনা রয়েছেন, জল সরে গেলেই গোটা বিষয়টার পর্যালোচনা করা হবে। ধান কেনার কাজ যেন বন্ধ না হয়। জল কমে গেলে বিদ্যুৎ পরিষেবা যাতে ঠিক থাকে, অনেক জায়গায় সমস্যা হয়েছে, জলের জন্য তারগুলো সারাতে পারেনি, সেগুলো মেরামতি করা হবে।’

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00