Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ঠাঁই নেই সংসারে, ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধার ঠিকানা এখন ফুটপাথ

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি : বয়স হয়ে যাওয়ায় মায়ের ঠাঁই হয়নি ছেলের সংসারে। নিজেদের সুবিধার্থে মাকে বৃ্দ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে হাত ঝেরে ফেলেছে ছেলে-বউমা। একবার ঘুরে দেখারও প্রয়োজন বোধ করেনি জন্মদাত্রীকে। এখানেই নচিকেতার বহুল প্রচলিত গান বৃদ্ধাশ্রম-র সঙ্গে বহু মিল। স্বামী-স্ত্রী আর অ্যালসেশিয়ান, জায়গা বড়ই কম। গানের কলিগুলো কানে আসলেই চোখ ভিজে ওঠে জলে। কলকাতার হাতিবাগানের বাসিন্দা ষাটোর্ধ শর্মিষ্ঠা মুস্তাফির ঠিকানাও ছিল সেই বৃদ্ধাশ্রম।

কলকাতার হাতিবাগানে বাড়ি থাকতেও ছেলে, বৌমার সংসারে তিনি অবাঞ্ছিত। তাই তাঁর স্বামীর মৃত্যুর পরই মধ্যমগ্রামের দিগবেড়িয়ার একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে দিয়েছিল ছেলে। শেষ জীবনে বৃদ্ধাশ্রমকেই নিজের বাড়ি বলে মেনে নিয়েছিলেন অশীতিপর বৃদ্ধা। কিন্তু সেখানেও তাঁর কপালে সইল না সুখ। বৃদ্ধাশ্রমের জীবনও তাঁর কাছে অতিষ্ট হয়ে উঠেছিল। সেখানেও মেলেনি শান্তি।

স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে যে বিপত্তি শুরু হয়েছে, তাঁর বিরাম নেই। এককালীন কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়ার পরেও ষাটোর্ধ্ব শর্মিষ্ঠা দেবীকে দিয়ে বৃদ্ধাশ্রমের সমস্ত কাজ করানোর অভিযোগ উঠেছে ওই বৃদ্ধাশ্রমের মালকিন নীপা রায় সরকারের বিরুদ্ধে। এখানেই শেষ নয়, নিজের বাড়িতেও পরিচারিকার মতো কাজ করাতেন ওই বৃদ্ধাকে। তাঁকে মারধর করারও অভিযোগ উঠেছে মধ্যমগ্রামের দিগবেড়িয়ার নিবেদিতা ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন বৃদ্ধাশ্রমের মালকিনের বিরুদ্ধে।

কাজ করতে রাজি না হলেই চলত অত্যাচার। প্রাণে মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। প্রতিদিন বিষ জাতীয় ট্যাবলেট খাইয়ে প্রাণে মারার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছএ। নিজের বিপদ বুঝতে পেরে দিন তিন আগে ওই বৃদ্ধাশ্রম থেকে পালিয়ে মধ্যমগ্রাম থানায় নিপা রায় সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন শর্মিষ্ঠা দেবী। সেখানেও বিধি বাম।

নীপা রায় সরকারকে ডেকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করলেও পরবর্তীতে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। গোটা ঘটনা অস্বীকার করেছেন ওই বৃদ্ধাশ্রমের মালিক। অবশেষে বাধ্য হয়ে অসহায় বৃদ্ধা শর্মিষ্ঠা দেবী বারাসত পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হন। কিন্তু সেখানেও মেলেনি কোনও সুরাহা। এখানেই দমে যাননি ওই বৃদ্ধা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থেকে মুখ্যসচিব, মানবাধিকার কমিশন, সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, মধ্যমগ্রাম পুরসভা সহ পুলিশের উচ্চপদস্থ দপ্তরেও অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। সব জায়গা থেকেই তাঁকে ফিরতে হয়েছে খালি হাতে। কয়েকদিন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ালেও তার ছেলে একবারের জন্য খোঁজও নেয়নি। তাই ষাটোর্ধ্ব এই বৃ্দ্ধার ঠিকানা এখন বৃদ্ধাশ্রম থেকে ফুটপাথ।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00