নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর : হোটেলের মধ্যে মহিলাদের আটকে রেখে তাদেরকে দিয়ে দেহ ব্যবসার কাজ করানোর অভিযোগে আগেই গ্রেফতার হয়েছিল। এবার তাদের শাস্তি দিল বারাকপুর আদালত। গ্রেফতার হওয়ার সাত বছর পর চারজনকে দোষী সাব্যস্ত করে ২০ বছরের জন্য সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০হাজার টাকা জরিমানা করেছে বারাকপুর আদালত।
পুলিশ সূত্রে খবর, আজ থেকে প্রায় ৭ বছর আগে ২০১৮ সালে দমদমের মাঠকল এলাকার একটি হোটেলে মহিলাদের আটকে রেখে দেহ ব্যবসা চালানোর অভিযোগ উঠেছিল। সেখানে কিছু নাবালিকা ছিল বলে জানা গিয়েছিল। গোপনে খবর পেয়ে ওই হোটেলে অভিযান চালিয়েছিল সিআইডির অ্যান্টি হিউম্যান ট্রাফিকিং ইউনিট। সেখানে অভিযান চালিয়ে মধুচক্রের পর্দা ফাঁস করা হয়। কয়েকজনকে উদ্ধার করা হয়। সেই সময়ে গ্রেফতার করা হয়েছিল ১৩ জনকে। ৯ জন জামিন পেয়ে গেলেও চারজনকে সংশোধনাগারে রাখা হয়েছিল। অবশেষে সাত বছর পর চারজনকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা ঘোষণা করেছেন বারাকপুর আদালতের এডিজে প্রথম কোর্টের বিচারক মৌ চট্টোপাধ্যায়।
পকসো আইনে দোষীদের ২০ বছর সশ্রম কারাদন্ড ও ২০ হাজার জরিমানা করা হয়েছে। দোষীরা হল কৃষ্ণ দে, বুলু নিয়োগী, মণীন্দ্রনাথ আদগিরি, রাখি ঘোষ। এদের মধ্যে কৃষ্ণ দের বাড়ি খড়দহ, মণীন্দ্রনাথের বাড়ি জগদ্দল, রাখির বাড়ি টিটাগর, বুলুর বাড়ি উত্তরপাড়া। ১৭ জনের সাক্ষি ও প্রমাণ দেখেই ৪জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় নাবালিকাদেরও দেহব্যবসা করানো হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠায় এই মামলাটি পকসো আইনে শুনানি হয়।