নিজস্ব প্রতিনিধি: চলতি বছর অতিবৃষ্টির পরিস্থিতির কারণে ফসল নষ্টের দোহাই দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর(Price Hike) দাম বাড়িয়েছিল ব্যবসায়ীরা। এরপর বন্যা পরিস্থিতি(Flood Condition) কেটে গেলেও জিনিসপত্রের দাম কমেনি। পুজোর মরশুম শুরু হওয়ার ঠিক আগে জিনিসপত্রের দাম সামান্য বৃদ্ধি পায় ঠিকই কিন্তু চলতি বছর অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে নানান খাদ্যসামগ্রী, বিশেষত সবজির দাম(Vegetables Price Hike)। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষদের কাছে সবজি বাজার অপরিহার্য। কিন্তু সবজির দাম যে হারে বাড়ছে তাতে সাধারণ মানুষ রীতিমতো চিন্তিত। আশা করা হয়েছিল দুর্গাপুজোর পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। কিন্তু দীপাবলির আবহেও জিনিসপত্রের দাম কমার কোনও লক্ষণ নেই।
আরও পড়ুনঃ ভিনিসিয়ুসকে পিছনে ফেলে ব্যালন ডি অর জিতলেন রদ্রি
সাধারণ মানুষের হয়রানি লাঘব করতে এবার উদ্যোগী রাজ্য সরকার(West Bengal Government)। নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর দাম পর্যালোচনা করতে এদিন মঙ্গলবার বিকেলে নবান্নে ডাকা হয়েছে টাস্ক ফোর্সের বৈঠক। এদিন উপস্থিত থাকবেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ সহ সংশ্লিষ্ট দফতরগুলির সরকারি কর্তা এবং পুলিশ অফিসাররা। এর আগের দুটি বৈঠকে আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার নির্দেশ দেয় সরকার। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে তা সম্ভব হয়নি। পুজোর সময় জ্যোতি আলু বিক্রি হয়েছে গড়ে ৩২ টাকা কেজিতে। বর্তমানে দাম কমার বদলে সেই দাম পৌঁছেছে ৩৪-৩৫ টাকায়। কেন এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি? তা পর্যালোচনা করবে সরকার।
আরও পড়ুনঃ ব্যালন ডি’অর না পাওয়া নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন ভিনিসিয়ুস
উল্লেখ্য বিষয়, পুজোর পর হিমঘর থেকে বেরোনো আলুর দাম কেজিতে ১টাকা বেড়েছে সেই অনুযায়ী আলুর দাম ৩০-৩২ টাকা হওয়া উচিৎ। এপ্রসঙ্গে হিমঘরের কর্তাদের দাবি, অসময়ের প্রবল বৃষ্টির কারণে শ্রমিকদের হাজিরা কমে গিয়েছে তাই এই সাময়িক মূল্যবৃদ্ধি। শীতের মরশুমে নতুন আলু উঠলে দাম অনেকটাই কমে যাবে। তবে শুধু আলু নয়, বাজারে পাল্লা দিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে সকল সবজির দাম। এই সকল ইস্যু নিয়েই চলতি দিনের বৈঠকে আলোচনা করা হবে। এর ফলে জিনিসপত্রের দাম কবে কমবে সেই বিষয়ে একটি স্পষ্ট রূপরেখা তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।