Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

নির্বাচনী কাজে গাফিলতির অভিযোগে চার আধিকারিককে সাসপেন্ড করল নবান্ন

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভোটের কাজে অনিয়মের অভিযোগে দিল্লির নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে চার আধিকারিককে সাসপেন্ড করল রাজ্য সরকার। নির্বাচন কমিশনের কাছে এ সংক্রান্ত রিপোর্টও পাঠিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। তবে সাসপেন্ড করলেও কমিশনের নির্দেশ মেনে ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর দায়ের করা হয়নি। সূত্রের খবর, কমিশনকে পাঠানো রিপোর্টে মুখ্যসচিব জানিয়েছেন ‘সাসপেন্ড হওয়া চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত (ডিপার্টমেল্টাল প্রসিডিং) করা হচ্ছে। এখনই এফআইআর করা হচ্ছে না।’

ভোটের কাজে অনিয়মের অভিযোগে চার অফিসারকে সাসপেন্ড করার সুপারিশ করেছিল নির্বাচন কমিশন। যাদের সাসপেন্ড করার সুপারিশ করা হয়েছিল তাঁরা হলেন, বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের ইআরও দেবোত্তম দত্ত চৌধুরী ও সহকারী ইআরও তথাগত মন্ডল, ময়না বিধানসভা কেন্দ্রের ইআরও বিপ্লব সরকার ও এআইআরও সুদীপ্ত দাস। ওই চারজন আধিকারিক ছাড়াও ফর্ম-৬ প্রসেসিংয়ে যুক্ত ডেটা এন্ট্রি অপারেটর সুরজিত হালদারের বিরুদ্ধেও এফআইআর দায়ের করার সুপারিশ করা হয়েছিল। যদিও কমিশনের ওই নির্দেশ জানার পরেই ক্ষোভ উগরে দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘চার অফিসারকে সাসপেন্ড কিংবা এফআইআর দায়েরর নির্দেশ কিছুই মানা হবে না। অফিসারদের পাশেই থাকবে রাজ্য সরকার।’ তাঁর ওই মন্তব্যের পরে নিজেদের ক্ষমতা দেখাতে আসরে অবতীর্ণ হয় ‘ভোট চুরি’র অভিযোগে বিদ্ধ নির্বাচন সদনের আধিকারিকরা।

রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়ে চার আধিকারিককে ১১ অগস্ট বেলা তিনটের মধ্যে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই দিনই নির্বাচন কমিশনের সচিব সুজিত কুমার মিশ্রকে চিঠি পাঠিয়ে মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ জানিয়ে দেন ‘চারজন অফিসার ও একজন ডেটা এন্ট্রি কর্মীর বিরুদ্ধে এখনই কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করা হয়েছে। জেলা বা ব্লক স্তরের অফিসারদের একাধিক দায়িত্ব থাকে—নির্বাচনী কাজ ছাড়াও সময় ধরে বহু প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করতে হয়। ফলে অনেক সময়ে বিশ্বাসের ভিত্তিতে অধীনস্থ কর্মীদের কিছু দায়িত্ব অর্পণ করা হয়।’ মুখ্যসচিবের যুক্তি, ‘যেসব আধিকারিক এতদিন নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে বিস্তারিত তদন্তের আগে কড়া শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া সঠিক হবে না। এতে শুধু অভিযুক্ত নয়, প্রশাসনের সর্বস্তরের আধিকারিক-কর্মীদের মনোবল ভেঙে পড়তে পারে। আপাতত তমলুক ব্লকের পিএএও ও ময়না আসনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার সুদীপ্ত দাস এবং বারুইপুর পূর্ব আসনের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর সুরজিৎ হালদারের নির্বাচনী দায়িত্ব প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়ার পর কমিশনকে বিস্তারিত রিপোর্ট পাঠানো হবে।’

যদিও রাজ্য সরকারের ওই যুক্তি মানেনি দিল্লির নির্বাচন সদনের প্রভুরা। নিজেদের ক্ষমতা জাহির করতে গত ১৪ অগস্ট মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে দিল্লিতে তলব করা হয়। ওই দিন নির্বাচন সদনে গিয়ে পুরো পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন মুখ্যসচিব। যদিও তাঁর যুক্তিতে কর্ণপাত না করে চার অফিসারকে সাসপেন্ড করার পাশাপাশি এফআইআর দায়ের করার জন্য সাতদিন সময় দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবারই (২১ অগস্ট) ওই সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা। তবে সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের ইআরও দেবোত্তম দত্ত চৌধুরী ও সহকারী ইআরও তথাগত মন্ডল, ময়না বিধানসভা কেন্দ্রের ইআরও বিপ্লব সরকার ও এআইআরও সুদীপ্ত দাসকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। ওই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েও দেওয়া হয়েছে।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00