নিজস্ব প্রতিনিধিঃ শেষ হয়েছে উৎসবের মরশুম। এরপরেই মহানগর থেকে উধাও হয়ে গেল ৫০০-র বেশি বাস। তাতে বিপাকে পড়েছে বাস মালিক থেকে শুরু করে নিত্য যাত্রীরা। বহু বাস মালিক বুঝেই উঠতে পারছেন না, কী করা উচিত। আর এই পরিস্থিতি নিয়ে বাস মালিকদের একাংশের দাবি, প্রশাসন সবকিছু জানার পরেও কেন কোন ব্যবস্থা নেয়নি।
কেন পুজোর পর বসে গেল ৫৬৫ টি বাস?
২০০৯ সালে পরিবেশকর্মী সুভাষ দত্ত একটি মামলা করেছিলেন। আর সেই মামলার আদালত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়, ১৫ বছরের বেশি বয়স হয়ে গেলে আর কোনও বাস চালানো যাবে না। কলকাতার পরিবেশের কথা ভেবেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তাই সেই কারণেই শহরের রাস্তা থেকে সরতে চলেছে একাধিক বাস।
আরও পড়ুনঃ মেট্রোরেলে আত্মহত্যার ঘটনা আরপিএফ দিয়ে রোখা সম্ভব নয়: জিএম
পরিবহন দফতর সূত্রে খবর, করোনা পরিস্থিতির সময়ের কলকাতায় বেসরকারি বাস চলত ৪ হাজার ৮৪০টি। বর্তমানে তা কমে হয়েছে ৩ হাজার ৬১৫টি বাস। অন্যদিকে মিনিবাসের সংখ্যা একইভাবে কমেছে। আগে মিনিবাসের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৬৪ টি আর এখন কমে দাঁড়িয়েছে ১,৪৯৮টি। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবহন দফতরকে নির্দেশ দিয়েছে যাতে এই বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া হয়। তবে এখন পর্যন্ত পরিবহন মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তীর তরফ থেকে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।