নিজস্ব প্রতিনিধি : সপ্তাহের শুরুতেই ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল বিধানসভা। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের সময়ে বিজেপি বিক্ষোভ দেখায়। মুখ্যমন্ত্রীর মুখে ছিল কেন্দ্রীয় বঞ্চনার কথা। এরপরেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন যতবার তথ্য চেয়েছে, ততবার পাঠিয়েছি কিন্তু তাতেও টাকা আটকে রাখা হচ্ছে। অনেক রাজ্যে এই সমস্যা আছে, তারা টাকা পাচ্ছে বাংলা পাচ্ছে না।
চলতি মাসের ৯ তারিখ থেকে রাজ্য বিধানসভায় শুরু হয়েছে বাদল অধিবেশন। এই অধিবেশনে একাধিকবার বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিজেপি। সোমবারও তার অন্যথা হয়নি। এদিন মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে কথা বলতে শুরু করলেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বিজেপি বিধায়করা। মুখ্যমন্ত্রীর কথায় বার বার বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বার বার হিসেব চেয়ে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু সেই হিসেব দেখানোর পরেও মেলেনি টাকা। যতবার তথ্য চেয়েছে, ততবার পাঠানো হয়েছে। কর নিয়ে গেলেও রাজ্য বঞ্চিত হয়। অনেক রাজ্যে এই সমস্যা আছে, তারা টাকা পাচ্ছে, বাংলা পাচ্ছে না। বাংলার ১০০ দিনের টাকা কেন অন্য রাজ্যে পাঠানো হল? প্রশ্ন তুললেন মুখ্যমন্ত্রী।
মুখ্যমন্ত্রীর কথার মাঝেই কথা বলে ওঠেন বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়। তখনই মুখ্যমন্ত্রী তাকে বলেন তিনি কী করেন সব জানেন। এরপরেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিজেপি বিধায়করা। বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ সহ সকলেই বিধানসভায় বিক্ষোভ দেখান। রাজ্যে শিক্ষাক্ষেত্র নিয়ে কথা বলতে চাইলে তা নিয়ে আলোচনা মুলতুবি হয়ে যায়। এরপরেই বিজেপি বিধায়করা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। বিধানসভার অধিবেশন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার কাজে বাধা দেওয়ার জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে বিজেপি বিধায়ক মনোজ কুমার ওরাওঁকে। তারপরেই আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভা। এরপরেই বিধানসভা চত্বরে স্লোগান বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা।