নিজস্ব প্রতিনিধি : প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আগেই গ্রেফতার হয়েছিলেন ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। দীর্ঘ দিন তিনি প্রেসিডেন্সি জেলে ছিলেন। পরে শর্তসাপেক্ষে অন্তর্বর্তী জামিন পান। এবার তার বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিল সিবিআই। তবে তিনি একা নন এই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত হুগলির বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও চার্জশিট দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যেই। শুক্রবার ২১ (ফ্রেবুয়ারি) বিচার ভবনে কলকাতা নগরদায়রা আদালতে এই চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিক মামলায় অন্তর্বর্তী জামিন পেয়েছিলেন ‘কাকু’। তিনি বর্তমানে বেহালায় নিজের বাড়িতে রয়েছেন। এর আগে সিবিআইয়ের মামলায় কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের জামিন মঞ্জুর করে কলকাতা হাইকোর্ট। ইডির মামলায় আগেই জামিন পেয়েছিলেন তিনি। গত মঙ্গলবার সিবিআইয়ের মামলাতেও জামিন মঞ্জুর হয় তাঁর।আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত মেয়াদ রয়েছে এই অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের। তাঁকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দেওয়া হয়েছে।শর্তে বলা হয়েছে জামিন পেলেও এখন বেহালার বাড়ি থেকে বেরোতে পারবেন না। সবসময় সিবিআইয়ের নজরদারি থাকবে তাঁর উপরে। সেই সঙ্গে, সিবিআই তদন্তকারী আধিকারিকদের দুটি মোবাইল ফোনের নম্বর দিতে হবে তাঁকে।চিকিৎসক এবং আইনজীবী ছাড়া তাঁর বাড়িতে অন্য কেউ ঢুকতেও পারবেন না।
প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শান্তনু এবং সন্তু গঙ্গোপাধ্যায়ের নামও তদন্তে উঠে এসেছিল। শান্তনুকে আগেই গ্রেফতার করে ইডি। পরে তাঁকে হেফাজতে নিয়েছিল সিবিআই। তাঁদেরও কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। শান্তনুর কণ্ঠস্বর মিলিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা। সিবিআইয়ের অনুমান ছিল, ওই অডিয়োতে দু’জনের কণ্ঠ শোনা গিয়েছে।