নিজস্ব প্রতিনিধি: আরজি করের তরুণী চিকিৎসককে নৃশংস খুনের ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তভার হাতে নিয়েছিল সিবিআই। কিন্তু ৬ দিন পার হওয়ার পরেও ওই খুনের বিষয়ে পোক্ত কোনও তথ্য প্রমাণ হাতে আসেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের হাতে। তথ্য-প্রমাণ জোগাড়ে দিন রাত এক করে ফেলছেন। কখনও নির্যাতিতা চিকিৎসকের বাড়িতে ঢুঁ মারছেন, কখনও আরজি করের ঘটনাস্থলে চক্কর মারছেন। কখনও বা কলকাতা পুলিশের তদন্তকারীদের সঙ্গে কথা বলে কর জোড়ে সাহায্য চাইছেন।’ তদন্তে কলকাতা হাইকোর্টে বা সুপ্রিম কোর্টে মুখ পড়তে পারে এমন আশঙ্কায় সোমবারই হাথরস গণধর্ষণ কাণ্ডের তদন্তে থাকা মহিলা আধিকারিক সীমা পাহুজাকে কলকাতায় পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ঘটনায় কলকাতা পুলিশের হাতে ধৃত সঞ্জয় রায়কে ইতিমধ্যেই দফায়-দফায় জেরা করেছেন সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। কিন্তু জেরায় তেমন কোনও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে আসেনি। তাই ধৃত সত্যি কথা বলছেন কিনা, তা নিশ্চিত হতে পলিগ্রাফ টেস্ট করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিনই এ বিষয়ে আদালতের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতি আদায় করে নিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, আগামিকাল মঙ্গলবারই সঞ্জয় রায়ের পলিগ্রাফ টেস্ট করানো হবে।
অন্যদিকে, আরজি করের ঘটনায় সিবিআইয়ের তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুণাল ঘোষ। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘গত ৬দিন ধরে তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই। কিন্তু এখনও পর্যন্ত একজন বাদে কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। তাও গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ। তাহলে সিবিআই তদন্তের জন্য কী করল? চিকিৎসক খুনের ঘটনায় একজন নাকি একাধিক জড়িত ছিল, তা নিয়ে কেন কিছু খোলসা করছে না কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা?’