নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত : বিয়ের চার মাসের মাথায় স্ত্রীকে খুন করার অভিযোগ হোমগার্ডের বিরুদ্ধে। স্বামী, ননদ সহ চারজনকে আটক করেছে বারাসাত থানার পুলিশ। আত্মহত্যার তত্ত্ব মানতে নারাজ মৃতার পরিবার।
জানা গিয়েছে, মাত্র চার মাস আগে বিয়ে হয়েছিল মধ্যমগ্রামের অস্থায়ী হোমগার্ড নাজমুল হুদা ও নাসরিন সুলতানার। বিয়ের এক মাস পর থেকেই তাদের দাম্পত্যে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল। নাসরিনের ওপর মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার করা হতো বলে অভিযোগ মৃতার পরিবারের। আচমকাই পরিবারকে খবর দেওয়া হয় মেয়ের শারীরিক অসুস্থতার খবর জানিয়ে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হলেও কিছু জানানো সেই সময় হয়নি। মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে জানা যায় মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। বাড়ি থেকেই উদ্ধার হয়েছে ঝুলন্ত দেহ। এর পরেই মেয়েকে খুন করার অভিযোগ জানিয়েছে নাসরিনের পরিবার।
বারাসত থানায় অভিযোগ জানানো হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে স্বামী, ননদ সহ মোট চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। চারজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। নাসরিন আত্মহত্যা কেন করেছে, ঘটনার পেছনে কি কারণ রয়েছে সবটাই জানতে চাইছে বারাসত থানার পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে আসার পরেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।
মৃতা নাসরিনের পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর প্রথম কয়েকদিন ভাল ব্যবাহর করলেও, তারপর থেকেই শুরু হয় অত্যাচার।বিয়ের পর থেকেই মেয়ের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা হত বলে অভিযোগ। কয়েকদিন আগেও মেয়েকে মারধর করা হয়েছিল। এদিনও মেয়েকে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেছে পরিবার।