নিজস্ব প্রতিনিধি, ডুয়ার্স: ঘন জঙ্গলের বুক চিরে গিয়েছে রেললাইন। নিত্যদিন সেই লাইন দিয়ে চলে একাধিক রেল। মাঝে মধ্যেই সেই রেললাইনের ধারে দিয়ে উঠে আসে হাতির দল। বেঘোরে প্রাণও হারাতে হয়। ফের ডুয়ার্সের জঙ্গল থেকে রেললাইনে উঠে এল হাতি। চালকদের তৎপরতায় এবার রক্ষা পেয়েছে হাতিটি নাহলে ঘটে যেতে পারত বড়সড় দুর্ঘটনা।
জানা গিয়েছে, ডুয়ার্সের বাগরাকোট-সেবক রেললাইনের মাঝে ৭২/৩ পিলারের কাছে শনিবার সন্ধ্যায় একটি হাতি রেললাইনের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল। হাতিটিকে দেখতে পেয়েই আপৎকালীন ব্রেক কষেন কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেসের চালক উত্তম বড়ুয়া ও সহকারী চালক শুভজিৎ কার্জি। এরজেরেই ট্রেনের গতি কমে যায়। হাতিটি প্রায় ১৬ থেকে ১৮ মিনিট রেললাইনে দাঁড়িয়ে ছিল। বেশ কিছুক্ষণ পর হাতিটি নিজের মত করে রেল লাইন থেকে নেমে জঙ্গলের পথে রওনা দেয়। তারপরেই কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেসটিও নিজের গন্তব্যের দিকে রওনা দেয়।
সম্প্রতি, রেল লাইনের ওপরেই ট্রেনের ধাক্কায় ২ শাবক সহ ১ হাতির মৃত্যুর খবর সামনে এসেছিল। সেটি ঘটেছিল ঝাড়গ্রামে। ঝাড়গ্রামের বাঁশতলা স্টেশনের কাছে ডাউন লাইনে খড়্গপুরগামী জনশতাব্দীর ধাক্কায় ২ শাবক সহ ১ পূর্ণবয়স্ক হাতির মৃত্যু হয়েছে। বন দফতর এবং রেল একে অপরের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে। গভীর রাতে বাঁশতলা স্টেশনের কাছে ডাউন লাইনে আসছিল খড়্গপুরগামী জনশতাব্দী। ওই সময়েই ২ শাবক নিয়ে পার হচ্ছিল পূর্ণবয়স্ক হাতি। বুঝতে না পেরে ট্রেনটি চলার পর জানা যায়, ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছে ৩ হাতির। মাঝে মধ্যেই ট্রেনের ধাক্কায় হাতির মৃত্যুর খবর শোনা যায়। ২০২৩ সালে চাপড়ামারি অভয়ারণ্যে ট্রেনে কাটা পড়েছিল এক অন্তঃসত্ত্বা হাতি। আঘাতের মা হাতিটির পেটের ভিতর থেকে শাবকটিও বেরিয়ে আসে৷