নিজস্ব প্রতিনিধি, ঘাটাল ও খানাকুল :বাংলা থেকে নিম্নচাপ সরলেও ছত্তিশগড়, পাঞ্জাব, অসমে তিনটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। পাশাপাশি বাংলার নিম্নচাপ আশঙ্কা বাড়িয়েছে ঝাড়খণ্ডে। ফলে ডিভিসির ওপর চাপ বাড়তে চলেছে। ইতিমধ্যে মাইথন ও পাঞ্চেত থেকে প্রায় ৪৯ কিউসেক জল ছাড়ছে ডিভিসি।
জানা গিয়েছে, পাঞ্চেত ও মাইথন থেকে জল ছাড়ার কারণে জলস্তর বেড়ে ফুঁসছে বাংলার নদীগুলো। বাংলার পশ্চিমের জেলগুলোতে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। শিলাবতী, কংসাবতী, দারকেশ্বর, রূপনারায়ন নদীতে জস ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। জানা গিয়েছে, মাইথন, পাঞ্চেত ব্যারাজ থেকে ছাড়া জল রাত সাড়ে দশটার মধ্যে এসে পৌঁছাবে দুর্গাপুরে। তারপরেই দুর্গাপুর ব্যারাজেও বাড়বে চাপ। এই ব্যারাজ থেকে ৬৭ হাজার ২৭৫ কিউসেক হারে জল ছাড়া হয়েছে। এর জেরে হাওড়া ও হুগলি জেলায় বাড়ছে চাপ।
বন্যার আশঙ্কায় ভুগছে রাজ্যের বিস্তির্ণ জেলা। খানাকুল, ঘাটাল আতঙ্কিত। ইতিমধ্যে ঘাটালের একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েত ও ওয়ার্ড চলে গিয়েছে জলের তলায়। কয়েকদিন আগেও সেখানে নৌকা চলতে দেখা গিয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঘর থেকে বের হওয়াই দুষ্কর হয়ে উঠেছে। কেউ অসুস্থ হলে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়াও খুব সঙ্গীন হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে জলস্তর আরও বাড়লে বিপদ আরও বাড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
ইতিমধ্যে পাঞ্চেত ও মাইথন থেকে জল ছাড়ার কারণে রাজ্যের একাধিক নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। শুকিয়ে যাওয়া নদীতেও জল উপচে পড়েছে। টানা বৃষ্টি ও বিভিন্ন ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার জেরে হু হু করে জল বেড়েছে কোপাই নদীতে। তার জেরেই ডুবে গিয়েছে কঙ্কালীতলার মন্দির প্রাঙ্গন। নতুন করে জল ছাড়া হলে বাড়তে পারে বিপদ।