নিজস্ব প্রতিনিধি : ক্রমাগত জল ছাড়ছে ডিভিসি। বৃহস্পতিবার থেকে জল ছাড়তে শুরু করেছে। কিন্তু শুক্রবার রাত থেকে শনিবার পর্যন্ত প্রায় ৭১ কিউসেকের বেশি জল ছেড়েছে ডিভিসি। এরপরেই মুখ খুলেছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। ডিভিসি কর্তৃপক্ষকে মুখ্যসচিব জানিয়েছেন, জল ছাড়তে চাইলে রাজ্যকে জানাতে হবে। রাজ্যকে না জানিয়ে জল না ছাড়ার কথাই স্পষ্ট করে বলা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, বঙ্গোপসাগরের ওপরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপটি সরে গিয়েছে ঝাড়খণ্ড লাগোয়া বিহারে। এই কারণে ঝাড়খণ্ডে প্রবল বৃষ্টি বেড়েছে। এরজেরে জল বাড়তে শুরু করেছে দামোদর ও বরাকরে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাইথন পাঞ্চেত থেকেও জল ছাড়া হচ্ছে। বাধ্য হয়ে ডিভিসি বেশি করে জল ছাড়তে শুরু করেছে। দামোদর ও মুণ্ডেশ্বরীতে জলস্তর আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত প্রায় ৭১ কিউসেকের বেশি জল ছাড়া হয়েছে। অন্যদিকে, পাঞ্চেত জলাধার ও মাইথন থেকেও ছাড়া হচ্ছে জল। পাঞ্চেত থেকে ৬৯ হাজার ৫০০ কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে। মাইথন থেকে ১০০০ কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে। এর জেরে বাংলার বিস্তির্ণ অঞ্চলে জল ঢুকে পড়ছে।
গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর নির্দেশেই ডিভিসি’র সঙ্গে কথা বলেছেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। সেচ দফতরের কর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন নবান্নের শীর্ষকর্তারা। বন্যা পরিস্থিতির যাতে সৃষ্টি না হয়ে সেদিকে কড়া নজর রাখতে বলা হয়েছে।দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলার বন্যা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে প্রশাসনিক কর্তাদের ফোনেই নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।