নিজস্ব প্রতিনিধি, মেমারি ও বনগাঁ: বাবা-মাকে খুন করার পর জেলেও তাণ্ডব চালিয়েছে খুনে ছেলে হুমায়ুন কবীর। পুলিশি জেরার মুখে বারংবার পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছে সে। জেরার সময় পুলিশ অফিসারের মুখে ঘুষি মারার জেরে ভেঙে গিয়েছে চশমা। একাধিকবার পুলিশকর্মীকে শারীরিক হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে৷ বার বার তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলেই আক্রান্ত হতে হচ্ছে পুলিশকে।
বাবা মাকে নৃশংসভাবে গলার নলি কেটে খুন করে বস্তাবন্দি করে বাড়ির সামনেই ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছিল৷ এখানেই শেষ নয়, তার পর আরও কয়েকজনকে ছুরি দিয়ে বেপরোয়াভাবে আঘাত করেছে সে৷ পুলিশ সূত্রে খবর, গ্রেফতারির পর ইতিমধ্যেই বনগাঁ থানার লকআপের সিসিটিভি ভেঙেছে হুমায়ুন৷ অপছন্দের কোনও পুলিশ অফিসার তাঁকে জেরা করতে গেলেই আক্রমণ চালাচ্ছে হুমায়ুন৷
পুলিশের চশমা ভাঙার পাশাপাশি তদন্তকারী অফিসারদের পা জখম হয়েছে তাঁর হামলায়। ঘটনার পর থেকে এতদিন বনগাঁ থানার হেফাজতেই ছিল অভিযুক্ত হুমায়ুন৷ জানা গিয়েছে, গ্রেফতারির পর প্রথম রাতেই এক পুলিশকর্মীর গায়ে তরকারি ছুড়ে দিয়েছিল হুমায়ুন কবীর৷ শনিবারই তাঁকে মেমারি থানার হাতে তুলে দিয়েছে পুলিশ৷ হেফাজতে নেওয়ার পর অভিযুক্ত হুমায়ুনকে বিশেষ নজরদারি রাখার কথা ভাবনায় রয়েছে মেমারি থানার পুলিশের৷
জানা গিয়েছে, বাবাকে খুনের পরিকল্পনা করেছিল ছেলে হুমায়ুন কবীর। মাকে হত্যার কোনও পরিকল্পনা ছিল না। কিন্তু রাতের অন্ধকারে বাবাকে খুন করতে গেলে দেখে ফেলে মা। ফলে মাকেই আগে হত্যা করে সে। তারপরেই বাবাকে খুন করে সে।