নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ হওয়ার মূল্য চোকাতে হল বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে। বৃহস্পতিবার ঢাকার আদাবর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে খুনের মামলা। কোটা আন্দোলনের সময়ে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন পোশাক শিল্পের সঙ্গে জড়িত রুবেল নামে এক কর্মী। তাকে হত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সাকিবের বিরুদ্ধে ঢাকার আদাবর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার মাইনুল হাসান জানিয়েছেন, দেশে ফিরলেই গ্রেফতার করা হবে সাকিবকে।
কোটা আন্দোলনে যখন উত্তাল ছিল গোটা বাংলাদেশ তখন কানাডায় টি টোয়েন্টি ক্রিকেট লিগ খেলতে ব্যস্ত ছিলেন মাগুরা-১ আসনের আওয়ামী লীগ সাংসদ সাকিব আল হাসান। ৫ অগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরেই কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়কের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছিল। জনরোষের ভয়ে কানাডা থেকে দেশে ফেরার সাহস দেখাতে পারেননি সাকিব। সরাসরি বাংলাদেশ দলের হয়ে টেস্ট সিরিজ খেলতে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে উড়ে গিয়েছিলেন। বর্তমানে বাবর আজমদের হয়ে টেস্ট খেলতে ব্যস্ত বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার।
গতকাল ২২ অগস্ট বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর পুলিশের আদাবর থানায় ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় এক মামলা দায়ের করেছেন গার্মেন্টসকর্মী রুবেলের বাবা রফিকুল ইসলাম। ওই মামলায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ১৫৬ জনকে আসামী করা হয়েছে। মাগুরার প্রাক্তন সাংসদ তথা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সাকিবকে মামলার ২৮ নম্বর আসামি করা হয়েছে। যিনি ঘটনার সময়ে দেশেই ছিলেন না, তিনি কীভাবে পুলিশকে নির্দেশ দিলেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাকিবের অনুরাগীরা।