নিজস্ব প্রতিনিধি : বিভিন্ন নামে পরিচিত ভগবান গণেশ।কখনো তাঁকে সিদ্ধিদাতা বলা হয়, আবার কখনো তাঁকে বিঘ্নহর্তা বলা হয়। হর্তা শব্দের অর্থ-কেড়ে নেওয়া। কেননা তিনি ভক্তের সমস্ত দুঃখ, সমস্যা এবং দুঃখ কেড়ে নেন, অর্থাৎ সব বাধা বিঘ্ন দূর করেন। তাই তিনি বিঘ্নহর্তা নামে পরিচিত। এছাড়াও বক্রতুন্ড, একদন্ত, সিদ্ধি বিনায়ক, গজানন, ধ্রুম্রকেতু সহ একাধিক নাম রয়েছে দেবতা গণেশের। আপনি কী জানেন এই বছরে কবে পড়েছে গণেশ চতুর্থী, কোন নিয়মেই বা গণেশ মূর্তি রাখতে হবে। তবে জেনে নিন সব বিস্তারিত।
গণেশ চতুর্থী ২০২৪ দিনক্ষণ : এই বছর গণেশ চতুর্থী পড়েছে ৭ সেপ্টেম্বর।বাংলায় ক্যালেন্ডার হিসেবে ২১ ভাদ্র। প্রায় দশ দিন ধরে চলে গণেশ চতুর্থী উৎসব।পুজোর শেষ দিনকে বলা হয় ‘অনন্ত চতুর্দশী’।
গণেশ চতুর্থীতে প্রায় সারা দেশজুড়ে মহাসমারোহে পালিত হয়। মহারাষ্ট্রের গণেশ চতুর্থী উদযাপন, পশ্চিমবাংলার দুর্গাপুজোর মতোই বড় বলা যেতে পারে। এটি পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি গোয়া, কর্ণাটক, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানা, ওড়িশা, গুজরাট, ছত্রিশগড়ের মত বিভিন্ন রাজ্যে পালিত হয়ে থাকে।
গণেশ মূর্তি স্থাপনের নিয়মকানুন :
পূর্ব কোণে রাখতে হবে গণেশ মূর্তি : পূর্ব অথবা উত্তর -পূর্ব কোণে গণেশ মূর্তি স্থাপনের নিয়ম রয়েছে। ভুল করেও দক্ষিণ বা দক্ষিণ- পশ্চিমে মূর্তি স্থাপন করবেন না।
দরজার দিকে মুখ রাখতে হবে : দরজার দিকে মুখ করে গণেশের মূর্তি স্থাপন করা শুভ। কারণ মনে করা হয়, তিনি মঙ্গলমুখী।
মূর্তির পিছনে দেওয়াল থাকতে হবে : তবে খেয়াল রাখতে হবে, গণেশ মূর্তি যেই জায়গায় স্থাপন করবেন, সেখানটা যেন ফাঁকা না থাকে। অর্থাৎ মূর্তির পিছনে দেওয়াল থাকা আবশ্যক।
সঠিক স্থানে গণেশ মূর্তি : কিছু স্থানে গণেশ মূর্তি রাখা একেবারেই শুভ নয়।বেডরুম, গ্যারেজ, সিঁড়ির নীচে, বার্থরুম বা লন্ড্রি অঞ্চল এই জায়গাগুলোতে গণেশ মূর্তি রাখতে নেই।
একসঙ্গে দুটো গণেশ মূর্তি রাখবেন না : কখনই একই স্থানে দুটি গণেশ মূর্তি রাখবেন না।বাস্তু মতে, এটা মোটেও শুভ নয়। তাই বাড়িতে সঠিক স্থানে আলাদা আলাদা ভাবে গণেশ মূর্তি রাখা শুভ।