আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানের তিনটি পরমাণুঘাঁটিতে হামলা আমেরিকার। এই ৩টি পরমাণুঘাঁটিকে লক্ষ্য করে রবিবার ভোররাতে হামলা চালিয়েছে আমেরিকার যুদ্ধবিমান। ইরানের ভূগর্ভস্থ পরমাণুকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। ইরানে সফল অভিযানের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, আমেরিকার সেনাবাহিনী ইরানের ফোরদো, নাতানাজ ও ইসফাহানে তিনটি পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে। এখন শান্তির সময় এসেছে। ঈশ্বর মধ্যপ্রাচ্য ও আমেরিকাকে আশীর্বাদ করুন।
জানা গিয়েছে B2 বোমারু বিমান হামলা চালালো ইরানের তিনটি পারমাণবিক কেন্দ্রে। ফোরদোতে ছটি বাঙ্কার বাস্টার ফেলা হয়েছে বোমা। হামলা চালানো হয়েছে নাতানাজ ও ইসফাহানে। মধ্যপ্রাচ্যে দাদাগিরির সবক এবার ইরানকে দিল আমেরিকা। হামলার পরে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে উঠে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, আমেরিকা বড় হামলা চালিয়েছে। এই হামলা সফল হয়েছে। এই দিনটি অনেক বড় চ্যালেঞ্জিং ছিল। ইরান ইজরায়েল যুদ্ধে এবার সরাসরি যুদ্ধে জড়াল আমেরিকা। হোয়াইট হাউসে দাঁড়িয়ে ট্রাম্প বলেন, উদ্দেশ্য ছিল ইরানের পরমাণু সমৃদ্ধিকরণের ক্ষমতাকে ধ্বংস করা। বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক দেশের পারমাণবিক হুমকি বন্ধ করা দরকার ছিল। সেটা সফল হয়েছে। তাঁর হুঁশিয়ারি খামেনিকে আলোচনায় বসতেই হবে। নাহলে ট্র্যাজেডির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইজরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেছেন, নেতানিয়াহুকে ধন্যবাদ। দুই দেশ যে ভাবে দল হিসাবে কাজ করেছে, সে ভাবে হয়তো আর কেউ কখনও করেনি। ইজরায়েলের সেনাবাহিনী অসাধারণ কাজ করেছে। এই অপারেশন চালানোর পর সমস্ত মার্কিন বিমান আপাতত ইরানের আকাশ সীমার বাইরে থাকছে। ইরান এবার যুদ্ধ শেষ করতে বাধ্য। আমেরিকার সেনা সফলভাবে হামলা চালিয়েছে। অন্য কোন দেশের সেনাবাহিনী এখনো পর্যন্ত এই ধরনের অভিযান চালাতে পারেনি বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।