আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রুশ হামলার জেরে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে ইউক্রেন। নিজের প্রাণ বাঁচানোর জন্য বহু মানুষ ইউক্রেন ছেড়ে অন্যত্র চলে গিয়েছেন। নিশ্চিত জীবনের জন্য অনেকেই দেশের বাইরে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নিয়েছেন। তেমনি নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ট্রাম্পের দেশে পা রেখে খুন হয়ে গেলেন এক ইউক্রেনীয় শরণার্থী।
জানা গিয়েছে, নতুন ভবিষ্যতের ভাবনায় নিরাপদ আশ্রয় চেয়ে আমেরিকায় গিয়েছিলেন ইউক্রেনীয় শরণার্থী ইরিনা জারুৎস্কা। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশও তাকে সুরক্ষা দিতে পারেনি। গত সপ্তাহে নর্থ ক্যারোলাইনার স্টেশন থেকে উদ্ধার হয়েছে ইরিনার ক্ষতবিক্ষত দেহ। স্বপ্ন দেখেছিলেন উন্নত ভবিষ্যতের। যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেন থেকে চলে এসেছিলেন আমেরিকায়। কিন্তু দুষ্কৃতীরা তাঁর স্বপ্নকে পূরণ হতে দিল না। স্টেশন চত্ত্বরের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেছে পুলিশ। এক সন্দেহভাজনকে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করেছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক অপরাধের মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই প্রথম অপরাধ করেনি সে।
সূত্রের খবর, ২০১১ সাল থেকে ডাকাতি তোলাবাজি সহ একাধিক মামলা রয়েছে অভিযুক্ত ডিকার্লস ব্রাউনের বিরুদ্ধে। একটি ডাকাতির মামলায় পাঁচ বছর জেল খেটেছেন ওই অভিযুক্ত। সম্প্রতি, ছাড়া পেয়ে এরিনাকে কেন হত্যা করতে গেলেন তাই নিয়ে তদন্তকারীদের মনে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন। লুটপাটে বাধাতে খুন হতে হয়েছে ইরিনাকে? নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। গত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ চলছে। অনেকেই নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ইরিনাও। ট্রাম্পের দেশও রক্ষা করতে পারল না।