আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সামনেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। হাতে আর খুব বেশি সময় নেই। এর মধ্যেই জোট বেঁধে লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলি। আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী তথা ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস জানিয়েছেন, আমেরিকার জন্য এখন দিনবদলের সময়।
দেশটির সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৯ অগাস্ট)উপস্থিত ছিলেন কমলা হ্যারিস, সঙ্গে ছিল তাঁর রানিং মেট বা ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী টিম ওয়ালজও। এই সাক্ষাৎকারে রাজনীতি, অর্থনীতি, পররাষ্ট্রনীতি, অভিবাসনসহ বিভিন্ন প্রসঙ্গ উঠে আসে। পাশাপাশি উঠে আসে গাজার বর্তমান পরিস্থিতির কথা।
নির্বাচিত হলে প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম দিনের কাজ কী হবে, সে বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল কমলার কাছে। যদিও এই নিয়ে কোন কর্মতালিকা ঘোষণা করেন নি তিনি। বরং এই নিয়ে কমলা জানান, ‘যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেবেন তিনি। প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর প্রথম ও সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারগুলোর একটি হবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে গুরুত্ব দেওয়া ও অর্থনৈতিক ভিত শক্তিশালী করা।’
পাশাপাশি তীব্র কটাক্ষ করেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। এই নিয়ে কমলা বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র এমন একজনকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে পেয়েছিল, যাঁর লক্ষ্য ছিল দেশের বৈশিষ্ট্য ও শক্তিকে খর্ব করা। জাতিকে বিভক্ত করা। তবে তিনি মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ এখন দিন বদল করতে প্রস্তুত। দিন বদলের সময় এসেছে।’
মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কমলা জানান, ‘তিনি ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা ও আত্মরক্ষার প্রতি দেশটির প্রতিশ্রুতিতে অটল থাকবেন।এই সিদ্ধান্তে কোন পরিবর্তন করবেন না।’ পাশাপাশি ৭ অক্টোবর ইজরায়েলে হামাসের হামলার প্রসঙ্গ নিয়ে আসেন কমলা।
এই নিয়ে তিনি জানান, ‘এই হামলায় ১ হাজার ২০০ মানুষ নিহত হয়েছেন। নারীরা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। তিনি আগেও বলেছেন, এখনো বলছেন, ইজরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার ছিল, এখনও অবধি আছে। এই নিয়ে তিনি হস্তক্ষেপ করবেন না।’
অন্যদিকে গাজার মানবিক সহায়তা নিয়েও কথা বলেন তিনি। তিনি জানান, ‘অনেক বেসমারিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একটা চুক্তি করতে হবে। এই যুদ্ধ অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। বন্দিদের মুক্তির জন্য অবশ্যই একটি চুক্তি প্রয়োজন।’