আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ঈদেও রেহাই নেই। ঈদ-উল আযহা-র দ্বিতীয় দিনে ৭৫ প্যালেস্তানিকে হত্যা করল ইজরায়েল। এই হামালায় গুরুতর জখম হয়েছে অনেকে। গাজা শহরে ইজরায়েল একটি আবাসিক বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। সেই বাড়ি সহ এলাকার বেশ কিছ জায়গা ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। সেই ধ্বংসস্তুপের নীচ থেকেই হতাহতদের উদ্ধার করার চেষ্টা চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। এই হামলাকে গণহত্যা বলে অভিহীত করা হচ্ছে।
জানা গিয়েছে, গাজার সাবরা এলাকায় এক বোমা হামলায় মহিলা ও শিশুসহ কম করে ১৬ জন নিহত হয়েছেন। প্যালস্তাইন সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসেল জানিয়েছেন, শনিবার গাজা শহরের সাবরা এলাকার একটি বাড়িতে বোমা হামলা চালিয়েছে। হামলা চালানোর আগে ইজরায়েলি বাহিনী কোনও সতর্কতা দেয়নি। যারফলে মহিলা ও শিশুসহ অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছে। সূত্রের খবর, ধ্বংসস্তুপের নিচে বেশ অনেক জন আটকে রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রাতে সকলে ঘুমিয়ে ছিলেন। আচমকাই চিৎকার চেঁচামিচি ও পাথরের আঘাতে ঘুম ভেঙে যায়। চোখের সামনে দেখতে পান তাঁরা ধ্বংসযজ্ঞ। ঈদ-উল আযহার সময়েও ছাড় মেলেনি। একের পর এক হামলা ঘটেই চলেছে। তাঁরা আরো বলেছেন, শিশুরা ঈদের আনন্দ বা সাজসজ্জার মেতে ওঠার পরিবর্তে আতঙ্কে দিনটি কাটাচ্ছে। চোখ খুলেই চেখোর সামনে ধ্বংসস্তূপ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। সেই ধ্বংসস্তুপেই রয়েছে বহু মৃতদেহ।
এদিকে গাজার দক্ষিণে অবরুদ্ধ খান ইউনিসে আল-আমাল হাসপাতালে যাওয়াও এখন সম্ভব নয়। প্যালেস্তাইন রেড ক্রিসেন্ট বলছে, ইজরায়েলি বাহিনী স্থানীয় এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওই এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে।