নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আনন্দবিহারের একটি স্পা সেন্টারে অতর্কিতেই হানা দিয়েছিল পুলিশ। ভিতরে তখন জ্বলছে সুগন্ধী। সেই সঙ্গে আলো আধাঁরি আবহে হাল্কা গান। বাইরে তখন বসে সুপুরুষ কয়েকজন ব্যক্তি। তাঁরা প্রত্যেকেই গ্রাহক। স্পা করাতে এসেছেন। কিন্তু ভিতরে চলছিল অন্য ‘খেলা’। পর্দা সরাতেই চক্ষু চড়কগাছ পুলিশ আধিকারিকদের। রমরমিয়ে চলছিল দেহ ব্যবসা। অবৈধ দেহ ব্যবসায় জড়িত থাকার অপরাধে ওই স্পা ও ম্যাসাজ সেন্টার থেকে আট যৌন কর্মী ও ৬ পুরুষ ক্রেতাকে পাকড়াও করেছে।
শাহদরার ডিসি প্রশান্ত গৌতম জানিয়েছে, আনন্দবিহারের সপা ও ম্যাসাজ সেন্টারের আড়ালে দেহ ব্যবসা চলছে বলে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ পাচ্ছিল পুলিশ। বডি ম্যাসাজের জন্য ২ হাজার টাকা ও যৌন মিলনের জন্য বাড়তি টাকা নেওয়া হচ্ছিল। ওই অভিযোগের ভিত্তিতেই ফাঁদ পাতা হয়েছিল। এক পুলিশ আধিকারিক সাদা পোশাকে ওই স্পা সেন্টারে যান। প্রথমে সেন্টারের ম্যানেজার পীযূষের সঙ্গে কথা বলেন। বাড়তি টাকা দিলে বডি ম্যাসাজের পাশাপাশি যৌন সুখ মিলবে বলেও জানান ম্যানেজার। স্পা সেন্টারের আড়ালে দেহ ব্যবসা চলছে তা নিশ্চিত হওয়ার পরেই ছদ্মবেশি পুলিশ আধিকারিক বাইরে অপেক্ষমান অন্যান্য সহকর্মীদের ভিতরে ডেকে নেন। অতর্কিতে হানা দিয়ে পাকড়াও করা হয় আটটি মেয়ে ও ছয় জন খদ্দেরকে। দেহ ব্যবসার কাজে ব্যবহৃত বেশ কিছু সামগ্রীও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
ডেপুটি কমিশনার প্রশান্ত গৌতম জানিয়েছেন, ইমরান নামে এক ব্যক্তি ওই স্পা ও ম্যাসাজ সেন্টারের মালিক। তবে হানা দেওয়ার সময়ে উপস্থিত ছিলেন না তিনি। ধৃতদের আনন্দবিহার থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ওই স্পা সেন্টারের লাইসেন্স যাতে বাতিল করা হয় তার জন্য এসডিএমকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।