নিজস্ব প্রতিনিধি : খুনের ঘটনায় জামিন পেয়ে পালিয়ে বেরাচ্ছিল সে। এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে দৌড় করিয়েছে পুলিশকে। একাধিক রাজ্য ঘুরে প্রায় ৬০ কিলোমিটার ধাওয়া করে জামিনে মুক্ত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ। দিল্লি পুলিশ নিজেদের এক্সহ্যান্ডেলে এই কথাই জানিয়েছে। পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধাওয়া করে অভিযুক্ত সোনু ওরফে মনোজকে হরিয়ানার পানিপথ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
AHTU, CRIME BRANCH (ISO-9001:2015 CERTIFIED)
ACHIEVES MAJOR BREAKTHROUGH IN KANJHAWALA MURDER CASEOne Interim Bail Jumper & Proclaimed Offender Arrested After 4½ Years of Evasion
In a significant development, the dedicated team of AHTU, Crime Branch has successfully arrested a… pic.twitter.com/vT74zRTqx6
— Crime Branch Delhi Police (@CrimeBranchDP) April 20, 2025
সূত্রের খবর, ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি দিল্লির কাঞ্জাওয়ালা এলাকায় অনিল নামে এক যুবককে অপহরণ করে গুলি করে হত্যা করার পাশাপাশি শিরচ্ছেদ করেছিল সোনু ওরফ মনোজ। কাঞ্জাওয়ালায় মিলেছিল অনিলের মস্তকবিহীন নগ্নদেহ। তারপরেই তদন্তে জানা যায় যে, সোনু সহ আরও ২জন এই ঘটনায় যুক্ত। সনুর সঙ্গে যুক্ত ছিল সোম্বির এবং পঙ্কজ। তিনজনে মিলে অনিলকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল।
ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ (ক্রাইম ব্রাঞ্চ) বিক্রম সিং জানিয়েছেন, অভিযুক্তরা অনিলকে একটি স্করপিওতে করে অপহরণ করে, বুকে গুলি করে। তারপর তার পরিচয় গোপন করার জন্য শিরচ্ছেদ করে কাটা মাথাটি একটি ড্রেনে ফেলে দেয়। দেহ আলাদা জায়গায় পড়েছিল। তদন্তে নেমে ৩জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। কিন্তু ৫ আগে সোনুকে আদালত অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেয়। সোনুর বাবা ক্যান্সারে ভুগছিলেন, তার চিকিৎসার প্রয়োজন। সেই গ্রাউন্ডে জামিন পেয়েছিলেন সোনু। তখন থেকেই পলাতক ছিলেন। ট্রাক চালক হিসেবে কাজ করতেন। পরিটয় এড়াতে নিজের অবস্থান পরিবর্তন করত অভিযুক্ত সোনু। অবশেষে পানিপথ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সোনুর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ধারা ৩০২ (হত্যা), ২০১ (প্রমাণ লোপাট), ৩৬৫ (অপহরণ), ১২০বি (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) এবং ৩৪ (সাধারণ উদ্দেশ্য) এবং অস্ত্র আইনের ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।