নিজস্ব প্রতিনিধি, পটনা: বিধানসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই যুদ্ধংদেহী মনোভাবে পরস্পরকে বিঁধতে শুরু করেছে সংযুক্ত জনতা দল ও রাষ্ট্রীয় জনতা দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। এবার এক অনুষ্ঠানে মঞ্চে ওঠা এক মহিলাকে জোর করে নিজের কাছে টানা এবং আপত্তিজনকভাবে কাঁধে হাত রাখায় মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে নিশানা করল লালুপ্রসাদ যাদবের দল। রবিবার সমাজমাধ্যম ‘এক্স’ হ্যান্ডেলে মুখ্যমন্ত্রীর আপত্তিজনক আচরণ নিয়ে এক ভিডিও প্রকাশ করে আরজেডি’র তরপে প্রশ্ন ছোড়া হয়েছে, অতীতে এমন ঘটনা ঘটেছে কী? আরজেডির ওই হামলা নিয়ে অবশ্য নীতীশ কিংবা জেডিইউয়ের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
বিধানসভা ভোটে জনতা জনার্দনের মন জয়ে রবিবার পটনার বাপু সভাঘরে রাজ্য সরকারর তরফে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। ওই অনুষ্ঠানে ৮০০ কোটি টাকার সামাজিক প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। মঞ্চেই সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধাভোগী বেশ কয়েকজনের হাতে প্রতীক চেক তুলে দেন কেন্দ্রীয স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আরজেডির প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক দেহাতি মহিলা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাত থেকে চেক নিতে মঞ্চে এসেছেন। কার হাত থেকে চেক নেবেন তা বুঝতে না পেরে ঘাবড়ে গিয়েছেন ওই মহিলা। আচমকাই নীতীশ মহিলার বাঁ হাত ধরে অমিত শাহের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। তার পরে ওই প্রতীকে চেক নেওয়া মহিলার সঙ্গে ছবি তোলার বাহানায় তাঁর কাঁধে হাত দিচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রীর ওই ব্যবহারে খানিকটা অস্বস্তিতে পড়ে যান মহিলা উপভোক্তা।
मुख्यमंत्री नीतीश कुमार कैसे एक महिला को आपत्तिजनक तरीके से अपनी तरफ़ खींच रहे है और गृहमंत्री अमित शाह टुकुर-टुकुर देख रहे है। लाचार मुख्यमंत्री और बीमार बीजेपी की जुगलबंदी बिहार को शर्मसार कर रही है।
2005 से पहले कोई मुख्यमंत्री ऐसे करता था जी, उ तो हम आए तब ना इ सब हुआ?… pic.twitter.com/bVKkohh0my
— Rashtriya Janata Dal (@RJDforIndia) March 30, 2025
সমাজমাধ্যম ‘এক্স’ হ্যান্ডলে ওই ভিডিও পোস্ট করেছে লালুর দল আরজেডি। সেই সঙ্গে মহিলার সঙ্গে নীতীশের ওই আচরণের নিন্দা করে লেখা হয়েছে, ‘মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার কীভাবে একজন মহিলাকে আপত্তিকরভাবে নিজের দিকে টেনে নিচ্ছেন আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছেন। একজন নির্লজ্জ মুখ্যমন্ত্রী এবং অসুস্থ বিজেপির যুগলবন্দি বিহারকে লজ্জিত করেছে। ২০০৫ সালের আগে কি কোনও মুখ্যমন্ত্রী এটা করেছিলেন? আমরা ক্ষমতায় আসার পরই কি এসব ঘটেছে?’