নিজস্ব প্রতিনিধি: মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের বাসভবন ঘেরাও করতে যাওয়ার সময় কংগ্রেস নেতা কানহাইয়া কুমারকে আটক করল পাটনা পুলিশ। কানহাইয়ার পাশাপাশি পুলিশ যুব কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি উদয়ভান এবং রাজ্য সভাপতি গরীবদাস সহ ৩০ জনেরও বেশি কংগ্রেস কর্মীকে আটক করেছে।
মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন ঘেরাও করতে যাওয়া কংগ্রেস কর্মীদের থামাতে পুলিশ প্রথমে জলকামানের ব্যবহার করে। কিন্তু তাতেও কংগ্রেস কর্মীরা পিছু হটেননি। এর পর, পুলিশ আরও এক ধাপ অগ্রসর হয়ে কংগ্রেস কর্মীদের হেফাজতে নেয়। আপাতত ঘেরাও পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে।
পুলিশ নিজেদের হেফাজতে কানহাইয়াকে নেওয়ার আগে তাঁর বক্তব্য ছিল যে, “বিজেপি নীতীশ কুমারকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। কিন্তু এর উল্টোটা হওয়া উচিত ছিল। কারণ নীতীশ কুমারের কারণেই কেন্দ্রে মোদি সরকার চলছে।”
একই সাথে কানহাইয়া কুমার বিহার সফর সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেন, “বেকারত্ব হটাও যাত্রা, সংবিধান বাঁচাও যাত্রা, সংরক্ষণ বৃদ্ধির জন্য যাত্রা- আমরা সমগ্র দেশে এই যাত্রা শুরু করেছি কারণ এগুলোই ভারতের আসল সমস্যা। আমার লড়াই কেবল বেকারত্বের বিরুদ্ধে। এখন যদি অন্যান্য দলও রাস্তায় নেমে আসে তাহলে এটা ভাল কথা।”
প্রকৃতপক্ষে, কানহাইয়া কুমারের নেতৃত্বে, কংগ্রেস ১৬ মার্চ পশ্চিম চম্পারণের ঐতিহাসিক গান্ধি আশ্রম থেকে ‘অভিবাসন বন্ধ করুন, চাকরি দিন’ পদযাত্রা শুরু করেছিল, যা আজ পটনা পৌঁছে শেষ হয়েছে। এর পরেই কানহাইয়া কুমার কংগ্রেস কর্মীদের সাথে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন ঘেরাও করতে যাচ্ছিলেন।
পদযাত্রার সমাপ্তি উপলক্ষে পটনা পৌঁছে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক শচীন পাইলট বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার এবং তার দল জনতা দলকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন। পাইলট প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে বিহার সরকারকেও কাঠগড়ায় দাঁড় করান।