নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আগামী ১৩ জানুয়ারি প্রয়াগরোজে শুরু হতে চলেছে মহাকুম্ভ। জোরকদমে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি । সূত্রের খবর এই মহাকুম্ভে যেতে পারেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধি। ১০ ফেব্রুয়ারির পরই তাঁদের কুম্ভে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মূলত, নরেন্দ্র মোদি বা বিজেপিই যে হিন্দুত্বের ধ্বজাধারী নয়, তাপ্রমাণ করতেই মহাকুম্ভে যেতে চলেছেন রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধি। তবে কবে তারা যাবেন তা এখন স্পষ্ট নয়। বলা বাহুল্য, প্রতি ১২ বছরে একবার হয় মহাকুম্ভ। আর অর্ধকুম্ভ হয় ৬ বছরে একবার। উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে ২৬ ফেব্রুয়ারি অবধি চলবে মহাকুম্ভ।
চলতি বছর মহাকুম্ভে ৪০ কোটি ভক্ত সমাগম হওয়ার সম্ভবনা। মহাকুম্ভ থেকে ২ লক্ষ কোটি টাকা পর্যন্ত আয় হতে পারে বলে আশা করছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। ইতিমধ্যেই সমস্ত ঘাটে মহিলাদের জন্য তৈরি হয়েছে পোশাক পরিবর্তনের আলাদা ঘর। পর্যবেক্ষণের জন্য ওয়াচ টাওয়ার তৈরি হয়েছে। একথায় বলা যায়, মহাকুম্ভের জন্য নিরাপত্তাও জোরদার করেছে প্রশাসন।
মহাকুম্ভ প্রয়াগরাজে হয় কেন? কারণ সেখানে গঙ্গা, যমুনা ও সরস্বতী নদীর সঙ্গমস্থল। তাই পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে ধর্মীয় বিশ্বাস রয়েছে শাহী স্নানের সন্ধিক্ষণে যাঁরা এই তিন নদীর সঙ্গমস্থলে স্নান করেন, তাঁদের মুক্তিলাভ হয়।