নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়া দিল্লি: ভারত পরিচালিত অপারেশন সিঁদুর পাকিস্তানের কতখানি ‘ক্ষতি’ করেছে তার প্রমাণ মিলেছে সদ্য। পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরে জৈশ-ই-মহম্মদের ২১ জন সন্ত্রাসীর সমাধির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা হয়েছে। বলা হচ্ছে এর মধ্যে মাসুদ আজাহারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং তার পরিবারের সদস্যদেরও সমাধি রয়েছে। এই ছবিগুলি স্পষ্টতই মিসাইল স্ট্রাইকের ইঙ্গিত দেয়।
সিঁদুর অভিযানের সময় নিহত সন্ত্রাসীদের মধ্যে জৈশ প্রধান মৌলানা মাসুদ আজাহারের পরিবারের সদস্যরাও ছিল। তাদের সমাধিস্থ করা হয়েছে বাহাওয়ালপুরেই। এই প্রমাণ অভিযানের গভীরতা এবং সাফল্যের প্রতীক। অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটিকেই লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল।
জৈশ-ই-মহম্মদের কর্মীরা ফেসবুকে সন্ত্রাসীদের সমাধির ছবি শেয়ার করেছে। ছবির সঙ্গে পোস্ট হয়েছে ভিডিও। সেখানে মাসুদ আজাহারের কণ্ঠও শোনা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, অপারেশন সিঁদুর জৈশ এবং তার নেতৃত্বকে বড়সড় ধাক্কা দিয়েছে। পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরের কবরস্থানে সমাহিত সন্ত্রাসীদের ছবিগুলি নিশ্চিত করে যে ভারতের সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের অনেক ক্ষতি করছে। এই অভিযান কেবল সন্ত্রাসীদের দমন করতেই সফল হয়নি, বরং জৈশের কেন্দ্রীয় ছোট ছোট সংগঠনগুলিকেও দুর্বল করে দিয়েছে।
এদিকে সদ্য পাকিস্তানের মাটিতে মৃত্যু হয়েছে এক জঙ্গি নেতার। শীর্ষ জইশ কমান্ডার মৌলানা আবদুল আজিজের রহস্যময় মৃত্যু হয়েছে নিজের দেশেই। পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুর থেকে উদ্ধার হয়েছে তার দেহ। এই বাহাওয়ালপুরেই জইশের সদর দফতর। ভারতবিরোধী বক্তব্য পেশের জন্য পরিচিত ছিল আজিজ। কিছুদিন আগে সে বলেছিল ভারতের হালও সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো হতে চলেছে। সোভিয়েত ইউনিয়ন যেভাবে ভেঙে গিয়েছিল ভারতও সেইভাবেই ভেঙে যাবে। মঙ্গলবার ভোরবেলা তার দেহ উদ্ধার হয়। তার মৃত্যু ঘিরে ঘণীভূত হয়েছে রহস্য।