নিজস্ব প্রতিনিধি: “আমার ভাই সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মহাশয়, আমরা বিচার চাই। আমরা সন্ত্রাসীদের এভাবে যেতে দিতে পারি না…” অতি পাষাণেরও এই কথা শুনকে বুক কেঁদে উঠবে। পহেলগাঁও সন্ত্রাসী হামলায় নিহত নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট বিনয় নারওয়ালের মরদেহ যখন হরিয়ানার কর্নালে পৌঁছায়, তখন মুখ্যমন্ত্রী সাইনি তাঁর শেষকৃত্যে যোগ দিতে এসেছিলেন। সাক্ষাৎ করেছিলেন বিনয় নারওয়ালের পরিবারের সঙ্গে। আশ্বস্ত করেছিলেন ন্যায়বিচার করা হবে বলে।
মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় বিনয় নারওয়ালের বোন বলেন, “যে আমার ভাইকে মেরেছে আমি তার মাথা চাই। আমার ভাইকে জনসমক্ষে হত্যা করা হয়েছে। আমরা ন্যায়বিচার চাই। আমরা ওই সন্ত্রাসীদের এভাবে যেতে দিতে পারি না।” সাইনি নিহতের পরিবারকে আশ্বস্ত করে বলেন, “আমাদের সেনাবাহিনী তাদের ছাড়বে না।”
স্ত্রী হিমাংশী স্বামী বিনয়ের কফিনকে ত্রিবর্ণরঞ্জিত পতাকায় মুড়ে শেষ বিদায় জানান। শেষকৃত্যে উপস্থিত প্রত্যেকের চোখেই ছিল অশ্রু। বিনয় এবং হিমাংশির বিয়ে হয়েছিল ১৬ এপ্রিল। দুজনেই মধুচন্দ্রিমার জন্য জম্মু ও কাশ্মীরের পাহেলগাঁওয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে বৈসরণ উপত্যকায় হিমাংশির সামনে সন্ত্রাসীরা ২৬ বছরের বিনয় নারওয়ালকে নির্মমভাবে হত্যা করে।
‘जिसने मेरे भाई को मारा मुझे वो मरा चाहिए…’
पहलगाम हमले में मारे गए लेफ्टिनेंट विनय की बहन ने CM सैनी से की अपील#PahalgamTerroristAttack | #Pahalgam | #PahalgamAttack | #JammuKashmir pic.twitter.com/DcCwXUkr4X
— NDTV India (@ndtvindia) April 24, 2025
মৃতদেহ কার্নালে আনার সাথে সাথে বিনয়কে শ্রদ্ধা জানাতে বিপুল সংখ্যক মানুষ জড়ো হন। কিছু লোক ‘পাকিস্তান নিপাত যাক’ স্লোগান দেন। বিনয় নারওয়ালের মরদেহ অন্য একটি গাড়িতে করে শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়। এই শেষ যাত্রায় হিমাংশী এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। যোগ দিয়েছিলেন হাজার হাজার মানুষ যোগ দিয়েছিলেন।