নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি : চরবৃত্তি করার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। দিল্লি থেকে মোতিরাম জাট নামে এক সিআরপিএফ কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, গুপ্তচরবৃত্তির সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। ২০২৩ সাল থেকে পাকিস্তানের গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের গোপনে তথ্য দিত। মোটা টাকার বিনিময়ে এই কাজ করত বলে অভিযোগ। এনআইএ সূত্রে খবর, বিভিন্ন মাধ্যমে টাকা পাচ্ছিল সে। এনআইএ অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। কী কী তথ্য পাকিস্তানের কাছে তুলে দিয়েছে, তা জানতে জোরদার জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পাতিয়ালা হাউসের বিশেষ আদালত ৬ জুন পর্যন্ত তাকে এনআইএ হেফাজতে পাঠিয়েছে।
এনআইএ বিবৃতিতে জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত স্পর্শকাতর তথ্য পাকিস্তানের হাতে তুলে দিয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির সঙ্গে জড়িত ছিল। পাকিস্তানি গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা সম্পর্কিত গোপন তথ্য ভাগ করে নিচ্ছিলেন। ১৭ মে থেকে ওই সিআরপিএফ জওয়ান সন্দেহের আওতায় এসেছিল। ২১ মে তাকে কাজ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্ত করার আগে তার বিরুদ্ধে এনকোয়ারিও করা হয়েছে। তারপরেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারপর নজর রেখে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে তাকে হেফাজতে নিয়ে লাগাতার জিজ্ঞাসাবাদ করছে এনআইএ আধিকারিরকা। এতদিন ধরে সে কী কী তথ্য পাচার করেছে, সবটাই জানার চেষ্টা করছেন তাঁরা। সেই জন্য ৬ জুন পর্যন্ত হেফাজতে নেওয়া হয়েছে তাকে।
তাকে আদালতে তোলার পরে বিচারক অভিযোগের বিষয়টি উল্লেখ করে জানিয়েছেন, এই ধরনের ঘটনা জাতীয় নিরাপত্তার পাশাপাশি ভারত পর্যটন এবং ভারতীয় নাগরিকদের জীবনেও প্রভাব ফেলে। চলতি বছরের মে মাসের শুরুতে হরিয়ানা, পাঞ্জাব এবং উত্তর প্রদেশ জুড়ে বেশ কয়েকজনকে পাকচরের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তারমধ্যে রয়েছে জ্যোতি মালহোত্রা। একজন ভারতীয় বিমান বাহিনীর কর্পোরাল।
জানা গিয়েছে, সিআরপিএফের কাজ থেকে বেশ কিছু তথ্য উদ্ধার হয়েছে। তার মোবাইল থেকে উদ্ধার হয়েছে বেশ কিছু তথ্য। অভিযোগ, আইএসআই-র কাছেও তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। কী কী তথ্য দেওয়া হয়েছে তা জানার চেষ্টা চলছে।