নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রাজ্যসভায় আবারও চটে লাল সমাজবাদী পার্টির সাংসদ তথা কিংবদন্তি অভিনেত্রী জয়া বচ্চন। তবে রাজ্যসভায় জয়া বচ্চনের মেজাজ হারানোর বিষয়টি প্রথম নয়। এর আগেও বহুবার নানা কারণে মেজাজ হারিয়েছেন জয়া বচ্চন। তবে এবার প্রতিমন্ত্রী সঞ্জয় শেঠের একটি উদ্ভট কাণ্ড-কারখানায় ফুঁসিয়ে উঠলেন জয়া বচ্চন। সোমবার (১০ মার্চ) রাজ্যসভায় শুরু হয়েছে বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব। সেখানেই প্রশ্নোত্তর পর্বের সময়ে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। বিরোধী সাংসদদের প্রশ্নের জবাবে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সঞ্জয় শেঠ এক পদ, এক পেনশন (OROP) ইস্যুতে একটি বিবৃতি দেন। একটি কাগজ দেখে বিরোধী সাংসদদের প্রশ্নের জবাব দিচ্ছিলেন তিনি। আর তাতেই রেগে লাল হয়ে যান অভিনেত্রী-সাংসদ।
চেয়ার থেকে সটান উঠে দাঁড়িয়ে প্রতিমন্ত্রীকে জয়া বচ্চন উপদেশ দিয়ে বলেন, ‘আপনি কী সব প্রশ্নের উত্তর কাগজ দেখেই দেবেন, আপনার আগে থেকেই প্রস্তুত হয়ে আসা উচিত ছিল! এটা কেমন বিষয় হল?’ এরপর জয়া বচ্চনকে সমর্থন করে ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ জানান, এটি জয়া বচ্চনের কেবল প্রশ্নই নয় তাঁর মতামতও বটে। এ বিষয়ে তিনি পূর্ণ সমর্থন করছেন ‘সপা’ সাংসদকে। এরপর জয়া বচ্চন নিজের চেয়ারে বসে পড়েন। এবং তাঁকে বিড়বিড় করে বলতে শোনা যায়, প্রতিমন্ত্রীর ওরিয়েন্টেশন ক্লাসে যাওয়া উচিত।
এদিন বিরোধীদের প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘এখনও পর্যন্ত OROP-এর আওতায় ১ লক্ষ ২৪ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। আমরা জানি, পুরাতন এবং নতুন অবসরপ্রাপ্ত সেনাদের পেনশনের পার্থক্য উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। তবে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে, সৈন্যদের সকল দাবির সমাধান করা হবে।’ এই পুরো বিবৃতিটি তিনি স্ক্রিপ্ট দেখে বলেন। তাতেই অসন্তোষ প্রকাশ করেন জয়া বচ্চন। এদিকে নতুন শিক্ষানীতির জবাবের সময়েও হট্টগোল দেখা দিয়েছিল লোকসভায়। DMK সাংসদ কানিমোঝি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের বিরুদ্ধে তামিলনাড়ুর জনগণকে অসভ্য বলার অভিযোগ এনে তাঁর নিন্দা করেন। যেখানে ডিএমকে সাংসদ বলে ছিলেন যে, ‘আমরা নতুন শিক্ষানীতিতে তিনটি ভাষা নীতি গ্রহণ করি না।’ এরপর ক্ষুব্ধ কানিমোঝি অভিযোগের জবাবে ধর্মেন্দ্র প্রধান ক্ষমা চান।