নিজস্ব প্রতিনিধি: পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়েছেন স্ত্রী। নেহাত সন্দেহের বশেই স্ত্রীকে হাতুড়িপেটা করে খুন করে পুলিশের জালে এক ব্যক্তি। স্ত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যা করার ঘটনায় চাঞ্চল্য জড়িয়েছে নয়ডায়।
পুলিশ সূত্রে খবর, স্ত্রী আসমা খানকে সন্দেহ করতে স্বামী নুরুল্লাহ হায়দার। তাঁর সন্দেহ ছিল অন্য কারও সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন আসমা। সেই কারণে বহুবার স্বামী-স্ত্রীয়ের মধ্যে অশান্তি হয়েছে। কিন্তু শুক্রবার অশান্তি চরমে ওঠে। আচমকাই একটি হাতুরি নিয়ে আসমার ওপরে চড়াও হন নুরুল্লাহ। ওই দম্পতি থাকতেন নয়ডার সেক্টর ১৫ এলাকায়। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে যান আসনা। ঘটনার সময় বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন ওই দম্পতির এক ছেলে ও মেয়ে। ছেলে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়লেও মেয়ে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী। আসমা ছেলেই প্রথমে পুলিশকে ফোন করে। পুলিশ এসে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। পাশাপাশি দেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাছিয়েছে।
সূত্রের খবর, ২০০৫ সালে বিয়ে করেছিলেন নুরুল্লাহ হায়দার ও আসমা খান। জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং স্নাতক ছিলেন আসমা। অভিযুক্ত বিহারের বাসিন্দা এবং তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং স্নাতকও ছিলেন। তবে বর্তমানে তিনি বেকার। বছর ৪২-র আসমা নয়ডার সেক্টর ৬২-র একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। স্ত্রীকে নিয়ে সন্দেহের বীজ বপন হয়েছিল তাঁর মধ্যে। তাই নিয়ে অশান্তিও চলত বিস্তর।
কেন তিনি স্ত্রীকে খুন করেছেন, তা জানতে অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। অভিযুক্তের ভাই জানিয়েছেন, দম্পতির অশান্তির বিষয়টি সকালেই জানতে পরেছিলেন। কিন্তু সন্দেহের বশে এই ধরনের ঘটনা ঘটবে বুঝতে পারেননি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।