নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আম্বেদকর ইস্যুতে বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) সংসদ চত্বরে কংগ্রেস বনমাম বিজেপি সাংসদদের মল্লযুদ্ধের সাক্ষী থেকেছিল গোটা দেশবাসী। সাংসদদের ধাক্কাধাক্কির মামলা গড়িয়েছে থানা পর্যন্ত। রাহুল গান্ধির বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি। পাল্টা কংগ্রেসের তরফে দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে ধাক্কা দেওয়া ও ডান্ডা হাতে দলের সাংসদদের উপরে চড়াও হওয়ার অভিযোগ এনে বিজেপির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ধাক্কাধাক্কি কাণ্ড নিয়ে দুই শিবিরের রণংদেহী মনোভাবের মাঝেই মুখ খুললেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি।
এদিন বিকেলে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে পাশে বসিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে রাজীব তনয় জানিয়েছেন, এদিন সকালে তাঁরা যখন সভায় যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন তখনই বিজেপি সাংসদরা পথ আটকানোর চেষ্টা করেন। হাতে লাঠি নিয়ে কংগ্রেসি সাংসদদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। বিজেপি সাংসদদের পথ ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হলে, উল্টে পদ্ম সাংসদরা চড়াও হন তাঁদের উপরে। এমনকি তাঁকেও ধাক্কা মারা হয়।’ এদিনের ঘটনা ইচ্ছাকৃত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিযোগ করে রাহুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বন্ধু গৌতম আদানি মার্কিন মুলুকে আইনি ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছেন। মোদির বন্ধু আদানিকে বাঁচাতেই এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে।’
সংসদ চত্বরে এদিন সকালের ধাক্কাধাক্কি কাণ্ডে বিস্ময়প্রকাশ করেছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেও। তিনিও বিজেপি সাংসদদের কাঠগড়ায় তুলে বলেন, ‘সংসদে নানা ইস্যু নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আমরা ধর্না দিচ্ছি। কিন্তু অতীতে কখনও এমন অসভ্যতামি দেখা যায়নি। বিজেপি সাংসদরা ইচ্ছাকৃতভাবেই এদিনের অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটিয়েছেন। সংসদের ধাক্কাধাক্কি কাণ্ড নিয়ে দেশ জুড়েই আন্দোলন সংগঠিত করা হবে।’