নিজস্ব প্রতিনিধি: রেস্তরাঁ হোক বা বাড়ি কচুর লতির কোনও তুলনাই হয় না। তবে এই রান্না তো খুবই পরিশ্রমের। সারাদিনের কাজ করে কী আর এত রান্না করতে ভাল লাগে। তখন কোনও সহজ রান্না করেই পেট ভর্তি করলেই হয়। তাই আপনাদের কাছে নিয়ে এলাম প্রাচীন রান্নার একটি রেসিপি। যা খেতেও অসাধারণ আবার সময়ও লাগে কম।
অল্প সময়ের মধ্যেই কী করে বানাবেন এই রান্না জেনে নিন।
এই রেসিপি বানাতে কী কী উপকরণ লাগবে:
৫০০ গ্রাম কচুর ডাঁটা বা কচুর লতি ছোট টুকরোয় নিন
২-৩ টেবিল চামচ সর্ষের তেল
১ টেবিল চামচ কালোজিরে
৩-৪টি শুকনো লঙ্কা ফোড়ন
১২-১৪ কোয়া রসুন থেঁতো করে নেওয়া
৭-৮টি কাঁচালঙ্কা
১ কাপ ছোলা সারা রাত জলে ভেজানো
১/২ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো
১/২ কাপ নারকেল কোরানো
স্বাদমতো নুন
স্বাদমতো চিনি
কীভাবে বানাবেন
প্রথমে কচুর ডাঁটা বা কচুর লতি টুকরো করে কেটে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিয়ে একটি বড় পাত্রে জল গরম করে তার মধ্যে নুন দিয়ে সেদ্ধ হতে দিন। তার পর ঢাকা দিয়ে অন্তত দশ মিনিট সেদ্ধ হতে দিতে হবে। যখন দেখবেন কচুর পরিমাণ কমে প্রায় অর্ধেক হয়ে গিয়েছে তখন ওর মধ্যে ৫-৬টি কাঁচালঙ্কা সামান্য চিরে দিয়ে আরও মিনিট পাঁচেক আঁচে রাখুন। তার পরে নামিয়ে নিয়ে জল ঝরিয়ে নিন।
কড়াইয়ে সর্ষের তেল গরম করে তাতে শুকনো লঙ্কা এবং কালোজিরে ফোড়ন দিন। সামান্য নেড়ে দিয়ে দিন থেঁতো করা রসুন। রসুন ভাজা হলে ওর মধ্যে দিন বাকি কাঁচালঙ্কা বাটা এবং সেদ্ধ করা কচুর লতি, ভিজিয়ে রাখা ছোলা এবং প্রয়োজনমতো নুন আর মিষ্টি।
এর পরে তেলে ভাল ভাবে কচুর লতি ভাজা ভাজা করে নিতে হবে। কিছু ক্ষণ অন্তর কচুর লতি নাড়তে থাকুন। এই পর্যায়ে কচুর লতি একেবারে মিহি হয়ে আসবে। নুন আর মিষ্টি পরখ করে নিন। এই রান্নাটিতে একটু মিষ্টি ভাব থাকবে।
নাড়তে নাড়তে কড়াই থেকে তেল ছেড়ে এলে আর কচুর লতি পরিষ্কার ভাবে উঠে এলে বুঝবেন রান্না হয়ে গিয়েছে। আঁচ বন্ধ করে উপরে কোরানো নারকেল ছড়িয়ে গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।