নিজস্ব প্রতিনিধি : বুধবার থেকেই অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ।বাংলাদেশ থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস।মুজিবর-হাসিনার নাম থাকলেই কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় এমনকী বাসভবন গুলিতেও ভাঙচুর চালাচ্ছে পাকিস্তানপন্থী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা। মোল্লা ইউনূসের মদতে ‘ধরাকে সরা জ্ঞান’ মনে করছে পাকিস্তানের গুপ্তচর এজেন্টরা। এবার বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের কিশোরগঞ্জের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করল মোল্লা ইউনূসের দল। একইসঙ্গে দেশটির নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে প্রাক্তন সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদের গ্রামের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর চালায় দুষ্কৃতীরা। বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে চলে লুটপাটও।
বৃহস্পতিবার(৬ ফেব্রুয়ারি) বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে এই দুটি হামলার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশের পৃথক দুইটি দল ঘটনাস্থল নামমাত্র পরিদর্শন করে। কিন্তু নীরব ভুমিকায় থাকে মোল্লা ইউনূসের দল ওরফে বাংলাদেশের নিরাপত্তাকর্মীরা।
স্থানীয়রা জানিয়েছে, মোল্লার দল তথা হামলাকারীদের মাথায় হেলমেট ও মুখে মাস্ক পরা ছিল। তবে হামলা-ভাঙচুরকালে উভয় বাড়ির বাসিন্দাদের কেউ না থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। আর বাড়িতে পাহারাদার ভয়ে পালিয়ে আত্মরক্ষা করেছেন। ড্রয়িং রুম থেকে শুরু করে বেডরুমেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে চলে লুটপাট-চুরি।
অন্যদিকে বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির বাড়িতে হামলা নিয়ে প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, দুষ্কৃতীরা প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির বাড়িতে ঢুকে তাণ্ডব শুরু করে। ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে কোন সম্পর্ক ছিল না এই বাড়ির। তবুও হামলাকারীরা রাতের আঁধারে তাণ্ডব চালিয়ে জিনিসপত্র লুটপাট করেছে। ওই এলাকায় ঘণ্টাখানেক বিদ্যুৎ ছিল না। এই সুযোগে ওই বাড়ি থেকে জিনিসপত্র চুরি করে চম্পট দেয় তারা। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনো গ্রেপ্তার বা মামলা হয়নি বলে জানান খোদ দেশটির কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। তাদের অজুহাত, এই ঘটনা তারা প্রথম শুনলেন। বিষয়টি নিয়ে তারা ভেবে দেখবেন।