নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: দেশের স্রষ্টা বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে দিতে আদাজল খেয়ে ঝাঁপিয়েছে পাকিস্তানি পোষ্যভৃত্য তথা রাজাকার বাহিনীর শীর্ষ নেতা মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন তদারকি সরকার। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) আরও দুই স্থাপত্য থেকে মুছে দেওয়া হল স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধুর নাম। সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রকের সেতু বিভাগের তরফে প্রকাশিত এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, যমুনা নদীর উপরে নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতু এখন থেকে ‘যমুনা সেতু’ নামে পরিচিত হবে। আর ‘বঙ্গবন্ধু টানেল’ এর নতুন নাম হচ্ছে ‘কর্ণফুলী টানেল’।
গত ৫ অগস্ট সেনা বিদ্রোহের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে দিল্লি আশ্রয় নেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। তার পর থেকেই বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নাম মুছে দিতে কোমর কষে ঝাঁপিয়েছে আইএসআই এজেন্ট হিসাবে পরিচিত মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের তদারকি সরকার। অনেক স্থাপত্য এবং প্রতিষ্ঠান থেকে শেখ মুজিব এবং তাঁর পরিবারের নিহত সদস্যদের নাম মুছে ফেলা হয়েছে। এমনকি বঙ্গবন্ধুর বাসভবন তথা মুক্তিযুদ্ধের সুতিকাগার হিসাবে পরিচিত ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়িও গত ৫ ফেব্রুয়ারি বুলডোজার দিয়ে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ‘বঙ্গবন্ধু’ স্টেডিয়ামের নাম বদলে ফেলা হয়েছিল। ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম’-এর নাম বদলে রাখা হয় ‘জাতীয় স্টেডিয়াম’।
বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালীন উত্তরবঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটাতে যমুনা নদীর উপরে নির্মিত করা হয়েছিল সেতু। ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন সেতুটি চালু হয়। ওই সেতুর প্রথম নামকরণ করা হয়েছিল ‘যমুনা’ সেতু। পরে নাম বদলে করা হয় ‘বঙ্গবন্ধু সেতু’। অন্যদিকে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর নিচে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।