নিজস্ব প্রতিনিধি, লখনউ: হাড়হিম করা ঘটনা উত্তর প্রদেশের লখনউতে। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিবাদ চলছিল। একসময় আর ধৈর্য্য রাখতে না পেরে স্ত্রীর নাক কামড়ে কেটে দিল স্বামী। ঘটনাটি মাদিয়ানভ থানা এলাকার গায়ত্রী নগরের। পারিবারিক বিবাদের জের কোন পর্যায়ে যেতে পারে তার যেন ভয়াবহ প্রকাশ ঘটল ভারতে।
পুলিশ সূত্রে খবিওর, অভিযুক্তের নাম অরবিন্দ। দুজনের মধ্যে ঝগড়া চলাকালীন প্রথমে অরবিন্দ স্ত্রী ববিতাকে লাঠি দিয়ে মারতে শুরু করে। সঙ্গে সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির লোকজন ববিতাকে বাঁচাতে ছুটে আসে। এরপর অরবিন্দ বাবা-মায়ের উপর আক্রমণ চালায়। এরপরই সে রান্নাঘর থেকে একটি ছুরি এনে স্ত্রীকে মারাত্মক অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করার চেষ্টা করে। অরবিন্দর মা কোনওরকমে ছেলের হাত থেকে ছুরিটি ছিনিয়ে নিয়ে তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু অভিযুক্ত ব্যক্তি দাঁত দিয়ে স্ত্রীর নাক কামড়ে উপড়ে নিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। রক্তাক্ত অবস্থায় কাতরাতে থাকেন ববিতা। পরিবারও এই দৃশ্য দেখে হতভম্ব হয়ে যান।
আহত ববিতাকে তৎক্ষণাৎ লখনউ মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। ববিতার জা অমিতা মিশ্র এবং তাঁর স্বামী গোবিন্দ মিশ্র পুলিশকে খবর দেন। হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ববিতা। এই ঘটনায় থানায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। গোটা ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
এই ধরণের ঘটনা যে এই প্রথম ঘটল তা নয়। কয়েক মাস আগে উত্তর প্রদেশের হরদই থেকেও একই ধাঁচের একটি ঘটনা সামনে এসেছিল। স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্কের কথা জানতে পেরে স্বামী স্ত্রীর নাক কামড়ে উপড়ে ফেলেছিল। ওই মহিলার গ্রামেরই এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মহিলা তার প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে তার বাড়িতে গিয়েছিলেন। খবর পেয়ে মহিলার স্বামী তাকে আনতে প্রেমিকের বাড়িতে পৌঁছায়। সে মহিলাকে বোঝানোরও চেষ্টা করে। কিন্তু স্ত্রী বুঝতে নারাজ। তখন ক্রোধের বশে স্বামী দাঁত দিয়ে কামড়ে নাক উপড়ে ফেলে।