নিজস্ব প্রতিনিধি: ধাপা এবং গড়িয়া ঢালাই ব্রিজ দুটো জল প্রকল্পের কাজ জানুয়ারিতে শেষ হবে। এছাড়াও এর সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন বুস্টার পাম্পিং স্টেশন (Booster Pumping Station)সহ কাজের অনুমোদন বুধবার দেওয়া হল।তিনটি বিষয় মেয়র পারিষদ বৈঠকে অনুমোদিত হয়েছে। বুধবার কলকাতা পুরসভায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মেয়র(Mayor) জানান,বিল্ডিং প্ল্যান যেটা অনুমোদিত হয়েছে, সেটা আজ থেকে স্যাংশন দেওয়া শুরু হল। ছোট ছোট প্লটের জমি,সেখানেও বাড়ি তৈরীর অনুমতি দিতে শুরু করল কলকাতা পুরসভা।অনেক রাস্তা যেখানে ডাউন রয়েছে সেখানে পেভার ব্লক দেওয়া হবে। যেখানে পিচ রাখা যাচ্ছে না। জল জমে রাস্তা নষ্ট হচ্ছে।
ধাপা এবং গড়িয়া ঢালাই ব্রিজ দুটো জল প্রকল্পের কাজ জানুয়ারিতে শেষ হবে। এছাড়াও এর সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন বুস্টার পাম্পিং স্টেশন সহ কাজের অনুমোদন দেওয়া হল।মেট্রোর কাজে জলের পাইপলাইন যাতে ভেঙে না যায় সেই প্রসঙ্গে মেয়র বলেন,মেট্রোর কাজ যেখানে হচ্ছে খিদিরপুরে সেখানে জলের একটা সমান্তরাল লাইন করার জন্য মেট্রো কর্তৃপক্ষ আমাদের একটা ফান্ড দিয়েছে। ডায়মন্ড হারবার রোডে মোমিনপুর থেকে নিয়ে খিদিরপুর পর্যন্ত আমরা ওখানে একটা প্যারালাল নেটওয়ার্ক করছি। লেফট সাইডে নতুন করে পাইপলাইন বসিয়েছি। জলটা যাতে ক্রস লাইন ছিল রাস্তাতে, সেটা আমরা নতুন করে সাজিয়ে নিচ্ছি। এটা রেগুলার প্রসেস চলছে।কলকাতায় ডেঙ্গিতে মৃত প্রসঙ্গে মেয়র বলেন,ডেঙ্গিতে একজন মারা গেছে। এটা অত্যন্ত দুঃখের। দু’বছর আগে যে ভয়াবহতা ছিল সেটা নেই। তবে যিনি মারা গেছেন তিনি আমার খুবই পরিচিত ছিলেন। খুব দুঃখের বিষয়। আসন্ন দুর্গাপুজোর প্যান্ডেল গুলোকে নিয়ে ডেঙ্গি রোধে রেগুলার অবজারভেশন, জয়েন্ট টিম করে ভিজিট, এগুলো সব থাকবে বলে জানান মেয়র। যত বৃষ্টি কমবে তত বেশি জল জমে থাকার এবং মশার লার্ভা বেশি হবে। এই সময় আমাদেরকে আরো বেশি সতর্ক থাকতে হবে। কারো ছাদে যাওয়ার অধিকার আমাদের নেই। ছাদের টবে ভাঁড়ে বা কোথাও ভাঙা বালতিতে জল জমে আছে কিনা সেটা তো আমরা দেখতে পারবো না। তাই সকল মানুষকে দায়িত্ব নিতে হবে, সচেতন হতে হবে। আমরা প্রচারে কোন খামতি রাখবো না। মানুষের সহযোগিতায় জোরদার প্রচার সেটা আমরা করব।
বন্দরের জমি বেদখল প্রসঙ্গে ফিরহাদ বলেন,আজকে কিছু হয়নি। বন্দরে যা হয়েছে এখন কিছু হয়নি। বন্দরের জমিতে যে মানুষজনেরা থাকেন তা ৫০ বছর ১০০ বছর ধরে রয়েছেন। এখন ওরা যদি এসপেক্ট করেন যে এগুলো ভ্যাকেট করবেন সেগুলো করা যায় না। আমাদের ইরিগেশনের জমিতেও অনেক লোকজন রয়েছে। গরিব মানুষ যেখানে আস্তানা পেয়েছে সেখানেই থেকেছে। আমরা তো বন্দর কর্তৃপক্ষকে বলেছিলাম নর্থপোর্ট থানা এলাকায় কোনো একটা জায়গা দিন। যেখানে আমরা বাংলার বাড়ি তৈরি করিয়ে দিয়ে সেখানে তাদেরকে শিফট করিয়ে দেওয়া হবে। যাতে এই জমিগুলো তারা বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু হঠাৎ আপনার ঘুম ভাঙলে তো আমার কিছু করার নেই।এই সময় ঘুম ভাঙার কারণ নতুন জাহাজ মন্ত্রী হয়েছেন। বাংলার শ্রমিকদের ওখানে মারছেন। আর এখানে যারা বন্দর এলাকায় রয়েছে বেশিরভাগই অন্য প্রদেশ থেকে কোন না কোন সময় এসেছেন। তাদের এখানে অরাজকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে।মুখ্য সচিবকে তলব প্রসঙ্গে মেয়র বলেন,এটা নিয়ে আমি কিছু বলবো না।শুভেন্দুর(Suvendu) উস্কানির অভিযোগ প্রসঙ্গে মেয়রের মন্তব্য,ওই যে আছে না, গায়ে মানে না আপনি মোড়ল। আমাদের এত সময় নেই যে ওনাকে নিয়ে চিন্তা করব। বিষয়টি হেঁসে উড়িয়ে দেন ফিরহাদ হাকিম(Firhad Hakim)।