নিজস্ব প্রতিনিধি: পাড়ায় সমাধান কেন? কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম এই প্রশ্নের উত্তরে বলেন, সারা বাংলার সঙ্গে কলকাতা পুরসভাতেও পাড়ায় সমাধান শুরু হল।আমরা প্রশ্ন শুনছি, নোট করছি, হাতে হাতে সেটা সমাধান করছি। সমস্ত ডিপার্টমেন্টের এক্সিকিউটিভ অফিসাররা আছেন। একেক দিন, একেক জায়গায় আমরা এই সমাধান করব। মানুষের যে অসুবিধা গুলো আমরা নোট করে নিচ্ছি সেগুলো আমরা ঠিক করে দিয়ে সকলকে জানিয়ে দেবো।বিহারে ভুয়ো ভোটার প্রসঙ্গে মেয়র(Mayor) বলেন,এটার জন্য এসআইআর দরকার নেই। এটা একটা কন্টিনিউ প্রসেস। আমার বাবা মারা গেছেন, আমি নিজেই নাম কাটিয়ে দিয়েছি, নিজে গেছি। এর জন্য স্পেশাল কিছুর দরকার নেই। এটা বিজেপিকে জেতানোর জন্য ইলেকশন কমিশনের একটা বাহানা। এটা রাজনৈতিক অভিযোগ।এটা নিয়ে জবাব দেব না।
‘টক টু মেয়র’ এর সঙ্গে পাড়ায় সমাধানের পার্থক্য কোথায় এই প্রশ্নে মেয়র বলেন,টক টু মেয়রে (Talk To Mayor)সারা কলকাতা জুড়ে আমার কাছে আসছে। আমরা সেটা সমাধান করছি। আর এটা একটা মানুষকে ডেকে নিয়ে বসে তাদের কি সমস্যা শুনে হাতে হাতে সেটা সমাধান করা। তার জন্য অর্থ রাজ্য সরকার অলরেডি বরাদ্দ করে দিয়েছে। এটার জন্য অপেক্ষা করতে হবে না।দুয়ারে সরকার এবং পাড়ায় সমাধান এর মধ্যে পার্থক্য কি? উত্তর মেয়র বলেন,দুয়ারে সরকারে আমরা যারা বেনিফিশিয়ারি তাদের কাছ থেকে আবেদন নিয়েছিলাম। এটা পাড়ায় যে সমস্যা। আমি এখানে না এলে ওনার বাড়ির সামনে যে সমস্যা বা জল যাচ্ছে না সেটা আমি জানতাম না। এখানে এসে পাড়ায় সমাধান করা। পাড়ায় বসে পাড়ার সমাধান করা।মুখ্যমন্ত্রী(CM) প্রত্যেক বুথে ১০ লাখ টাকা করে দিয়েছেন। চারটে জায়গায় কোন কাজ নেই হয়তো,একটা জায়গায় আছে। তাহলে এই টাকাতেই হয়ে যাবে। মূলত ড্রেন, রাস্তা, জল ,আলো এই সমস্যাগুলোই বেশি প্রায়োরিটি পাবে।
কলকাতায় বিপদজনক বাড়ি ভাঙছে। এই প্রসঙ্গে মেয়র বলেন,এটা একটা আমাদের দুর্ভাগ্য। শরীকি গন্ডগোল কিংবা বাড়িওয়ালা ভাড়াটিয়া গন্ডগোলের জন্য বাড়ি ভাঙা যাচ্ছে না , সংস্কার করা যাচ্ছে না। আমরা একটা অকুপেন্সি সার্টিফিকেট দিচ্ছি। কিন্তু অনেকে ভাবছে আমি যদি একবার বাড়ি থেকে চলে যাই তাহলে আর জায়গা পাবো না। তাই নিজের দায়িত্বে ঝুঁকি নিয়েও পুরনো বাড়ি ছাড়তে চাইছে না। বাড়ি ভেঙে পড়ে যাচ্ছে, যক্ষের ধনের মত আটকে রাখছি ।এই সমস্যা রয়েছে। এই সমস্যা কলকাতায় আছে। আমি তো জোর করতে পারি না। সংবিধান আমাকে সেই অধিকার দেয়নি। আমি আপনাকে অনুরোধ করতে পারি। আমি কিছু সুবিধা দিতে পারি। কিন্তু আপনার সম্পত্তিকে জোর করে ছাড়াতে পারি না। মন্তব্য মেয়রের।বিজেপির সমালোচনা করে ফিরহাদ(Firhad) বলেন,ওরা জানে যে ওরা হেরে যাবে। হারনে বালেকো বাহানা চাহিয়ে। আমরা আমাদের কাজ করে যাব। আমরা চলি সমুখ পানে কে আমাদের রুখবে। রইল যারা পেছন পানে কাঁদবে তারা কাঁদবে। রাজ্যের বিরতি দল বিজেপিকে এই ভাবেই রাজনৈতিক নিশানা করেন কলকাতা পৌরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।