নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি : কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে এক ফাঁসির আসামির আত্মহত্যার ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে। মৃত আসামির নাম সুরেশ রায়।
জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের সেলের মধ্যেই খুনের মামলায় ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত এক আসামি সেলের মধ্যেই আত্মহত্যা করেছে। সে শিলিগুড়ির ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের উদয়ন কলোনির বাসিন্দা। জেলের মধ্যে কীভাবে একজন আসামি আত্মহত্যা করল সেটা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। কিছুদিন আগেই পকসো মামলায় অভিযুক্ত এক বিচারাধীন আসামি জলপাইগুড়ি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছিল। তার কয়েকদিন পরেই ফের আত্মহত্যার ঘটনা জেলের মধ্যে।
সূত্রের খবর, ২০২১ সালে ভক্তিনগর থানা এলাকায় নিজের পিসতুতো দাদাকে কুপিয়ে খুন করার ঘটনায় সুরেশকে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে জলপাইগুড়ি জেলা আদালত। দাদা শঙ্কর দাসকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রকাশ্য রাস্তায় কুপিয়ে খুন করে। জানা গিয়েছে,অভিযুক্ত সুরেশ এক তরুণীকে পছন্দ করত। তাঁর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টাও করত সে। কিন্তু ওই তরুণীর পরিবার সুরেশের পিসতুতো দাদা পেশায় রাজমিস্ত্রি শঙ্করকে জানায়। সুরেশকে ডেকে ওই তরুণীকে বিরক্ত না করার জন্য বলেন শঙ্কর। ওই তরুণীর অন্যত্র বিয়ে হয়ে যাওয়ায় পিসতুতো দাদা শঙ্করের উপর রাগ হয় সুরেশের। তারই জেরে সে ওই নৃশংস খুনের ঘটনা ঘটায়।
প্রেমঘটিত সম্পর্ক নিয়ে দাদার কাছে বকা খেয়ে রাগের কারণেই খুন করেছিল বলে অভিযোগ। মোট ১২ জনের সাক্ষ্য নিয়ে তাঁকে সাজা ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার সেই সাজাপ্রাপ্ত আসামিই সেলের মধ্যে আত্মঘাতী হয়েছে। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে কীভাবে এই ঘটনা ঘটল তা জানার চেষ্টা চলছে।