আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার উত্তরায় ভেঙে পড়েছে যুদ্ধবিমান এফ-৭। এই বিমানের পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলাম সাগরের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার স্থানীয় সময় বিকেল পৌনে চারটে নাগাদ সম্মিলিতি সামরিক হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
সূত্রের খবর, ওই বিমানে প্রশিক্ষণের সময় পাইলট হিসেবে ছিলেন তৌকির ইসলাম সাগর। উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজের ছুটির সময় মাঠের ওপরে আচমকাই ভেঙে পড়ে বিমানটি। এই ঘটনা পাইলট ছাড়া আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ইতিমধ্যেই ৬০ জনকে বার্ন ইউনিটে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
ঘটনার পরে একজনের মৃত্যুর খবর জানা গিয়েছিল। মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছিল। আহতদের উদ্ধার করার কাজ চলছিল। কয়েকজনকে উদ্ধার করে সম্মিলিতি সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানেই লাইফ সাপোর্টে ছিলেন লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলাম সাগর। বিকেলের দিকে হাসপাতালের পক্ষ থেকে তার মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছে। তাঁর মৃত্যুর খবর সামনে আসার পর মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪।
জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের রাজধানীর উত্তরায় সোমবার (২১ জুলাই) দুপুর ১টার নাগাদ মাইলস্টোন কলেজ সংলগ্ন মাঠে ‘এফ-৭ বিজিআই’ মডেলের একটি বিমান ভেঙে পড়ে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন বহু মানুষ। তাদের উদ্ধার করার কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে। হেলিকপ্টারে করে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় ভিড় জমিয়েছে। সেই ভিড়ের কারণে উদ্ধার কাজে দেরি হয়েছে।
এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সোমবার বেলা ১টা ৬ মিনিটে বিমানটি আকাশে ওড়ে। আকাশে ওড়ার বেশ কিছুক্ষণ পরেই প্রায় দেড়টা নাগাদ সেটি কলেজের মাঠে ভেঙে পড়ে। বিমানটি ভেঙে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। জানা গিয়েছে, বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর মাইলস্টোন স্কুলের হায়দার হলেও আগুন লেগে গিয়েছে।দমকল বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সিএমএইচ হাসপাতালে।
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই ভারতের আমেদাবাদে একটি যাত্রীবাহী বিমান আকাশে ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ভেঙে পড়ে। সেই বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল ২৭০ জনের বেশি মানুষের। সেই আতঙ্ক কাটিয়ে ওঠার আগেই পড়শি দেশে বিমান দুর্ঘটনা। তবে নজর থাকবে মৃত্যুর হারের দিকে।