নিজস্ব প্রতিনিধি, কাঁথি: চালের খুদের পিঠে, ড্রাই ফ্রুটস, রকমারি ফল থেকে শুরু করে বিভিন্ন রকম ভোগ রয়েছে জগন্নাথদেবের ভোজে। দিঘায় মন্দির উদ্বোধনের পরে এইবার প্রথম রথযাত্রার আয়োজন করা হয়েছিল। গত শুক্রবার জগন্নাথ মন্দির থেকে ভাই-বোনদের সঙ্গে নিয়ে মাসির বাড়ি গিয়েছিলেন নীলমাধব। শনিবারই ফিরে আসবেন তিনি। এই কয়েকদিন মাসির বাড়িতে ৩ দেব-দেবীর জন্য ছিল এলাহি আয়োজন।
মাসির বাড়িতে ৩ দেব-দেবীকে দেখতে ভিড় জমিয়েছেন ভক্তরা। প্রণামীবক্সেও মুক্তহস্তে দান করেছেন তাঁরা। রথযাত্রায় মন্দিরের বিভিন্ন প্রণামী বাক্সে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা জমেছে বেল জানিয়েছেন মন্দির ট্রাস্ট কমিটি। মাসির বাড়ি যাওয়ার পর থেকে সেখানে উৎসবের আমেজ।
জগন্নাথদেবের মাসির বাড়ির মন্দিরের পাশেই সমুদ্র। সেই সমুদ্রের ঢেউয়ের গর্জন এবং মন্দিরের কাঁসর-ঘণ্টা এখন মিলেমিশে একাকার। জগন্নাথদেবের সেবায় এলাহি আয়োজন করেছে মাসির বাড়ি পরিচালন কমিটি। রোজ সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পাঁচবার ভোগ নিবেদন করা হয় প্রভু জগন্নাথদেবকে। চালের খুদের পিঠে তাঁর পছন্দের খাবার। সেই কারণে খুদের পিঠে প্রতিদিন বানানো হয়। রোজ মন্দিরের সেবায়েতরা জগন্নাথদেবের জন্য তৈরি করছেন এই খুদের পিঠে।
দুপুর ১২টায় বিশেষ রাজভোগ দেওয়া হয়। সেখানে থাকে ৫ রকমের ভাজা, শুক্তো, ডাল ও পটলের তরকারি-সহ নানা পদ। ৫৬ ভোগের আয়োজন তিন দেবদেবীর জন্য বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে মাসির বাড়িতে। তাঁদের জন্য ৯ জন পাচক আনা হয়েছে। গত শুক্রবার থেকে তাঁরা গুন্ডিচা মন্দিরেই রয়েছেন। শনিবার দুপুরের পরে ফের মাসির বাড়ি থেকে জগন্নাথ মন্দিরের উদ্দেশে রওনা দেবেন জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রা। উল্টোরথের আগেরদিনেও বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে দেবতাদের জন্য।