নিজস্ব প্রতিনিধি, দিঘা : পুজো আরতির পর এক সংস্কৃতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জগন্নাথ বলরাম এবং সুভদ্রার রথের সামনে সেই আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানের পরেই রথের রশিতে টান দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর হাত ধরে দিঘার রথের রশিতে টান। রথের রাস্তা সোনার ঝাঁটা দিয়ে ঝাঁট দিয়ে রশিতে টান পড়েছে।
প্রথমে বলরাম পরে শুভদ্রা তারপরে নীলমাধবের রথ গড়িয়েছে। জগন্নাথদেবের রথের রশি শঙ্খচূড়ে টান দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন একে একে গড়িয়েছে তিন নীলমাধব, বলরাম ও শুভদ্রার রথ। শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়েছে পুজো অর্চনা। এদিনই পাহান্ডি বিজয়ের মাধ্যমে মন্দির থেকে জগন্নাথ, বলরাম, শুভদ্রাকে এনে রথে স্থাপন করা হয়েছে। তারপর থেকে বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। পায়ে হেঁটেই দিঘা জগন্নাথ মন্দিরে গিয়েছেন তিনি। দিঘায় রথযাত্রায় অংশ নিতে দেশ বিদেশ থেকে বিভিন্ন ভক্তরা হাজির হয়েছেন। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা এসেছেন। তাদের সঙ্গে আলাপচারিতা করতে, সাধারণ মানুষের সঙ্গে থাকতে পায়ে হেঁটেই মন্দিরের যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্দিরে পৌঁছে তিনি আরতি করেন বলে জানা গিয়েছে। মন্দির যাওয়ার পথে রাস্তার দু’ধারে বহু মানুষের সঙ্গে আলাপচারিতাও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাত জোড় করে অভিবাদন গ্রহণ করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকেই শুরু হয়েছে পুজোর আয়োজন। রাতেই দেখা গিয়েছে জগন্নাথ,বলরাম ও সুভদ্রার রথের। এদিন রাত প্রায় সাড়ে ১১ টা নাগাদ দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের সাত নম্বর গেট দিয়ে বাইরে বেরিয়ে এসেছে তিন রথ। সকাল থেকেই শুরু হয়েছে পুজোর আয়োজন। জগন্নাথদেব, বলরাম ও সুভদ্রাকে রথে তোলার আচার-অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গিয়েছে। পুজো শেষের পরই পুরীর নিয়ম মেনেই একে একে রথে উঠবেন জগন্নাথদেব, বলরাম ও সুভদ্রা।