নিজস্ব প্রতিনিধি, দিঘা : রথের রশিতে টান দিতে না পারলেও স্পর্শ করতে পেরেছেন ভক্তরা। জগন্নাথ বলরাম এবং সুভদ্রার রথের রশি, ব্যারিকেডের সঙ্গে লাগানো ছিল। সেই রশি স্পর্শ করতে পেরেছেন দিঘায় আসা ভক্তরা।
বৃহস্পতিবার বৈঠক করার পর মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন অপ্রীতিকর কোন ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্যই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভিড় সামাল দিতে ব্যারিকেড এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই ব্যারিকেডের সঙ্গেই রয়েছে রথের রশি। মুখ্যমন্ত্রী রশিতে টান দেওয়ার পর একে একে এগিয়েছে নন্দীঘোষ, তালধ্বজ, দর্পদলন।
রথ যাত্রার আগের দিন বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিঘার রথ যাত্রার তদারকিতে থাকা পাঁচমন্ত্রীকে নিয়ে বৈঠকে বসেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে হয়েছে ক্রাউড ম্যানেজমেন্ট মিটিং। মন্দির উদ্বোধনের পর শুক্রবার প্রথম রথযাত্রা দিঘায়। গোটা ব্যবস্থাপনা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রস্তুতি বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ভিড়ে ধাক্কাধাক্কিতে যাতে অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেদিকে কড়া নজর রয়েছে প্রশাসনের। রথের রশিতে ভক্তদের টান দিতে গেলে ধাক্কাধাক্কি হতে পারে। যারফলে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রথের রশিকে স্মর্শ করতে পারবে ভক্তরা।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রথ যখন চলবে রাস্তায় লোক থাকবে না। পদপিষ্টের ঘটনা এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ব্যরিকেড পাশে লোক থাকবে। মাত্র পৌনে ১ কিমি পথ গিয়ে মাসিবাড়ি যাবেন জগন্নাথদেব। সেখানেই রশি ছুঁয়ে দেখা যাবে। সেই মতো রশি স্পর্শ করতে পেরেছেন ভক্তরা। এই উৎসব নিয়ে জনসমুদ্রের চেহারা নিয়েছে দিঘা।